ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

রমজানে লোডশেডিংয়ের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৭৩৩ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : ফাইল ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১২ মার্চ থেকে রোজা শুরু হতে পারে।

রমজানে লোডশেডিংয়ের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এই ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় শেখ হাসিনা বলেন, তেলের দাম, এলএনজির দাম, পরিবহণ সবকিছুর মূল্যই বেড়েছে। তারপরেও আমাদের প্রচেষ্টা রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের। কিন্তু এটাও ঠিক যে আমাদের জ্বালানি তেল বা এলএনজির সংকট রয়েছে। তারপর যান্ত্রিক কারণে কোনো কোনো সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পায় বা ব্যাহত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, এ কারণে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারাবির সময় বা সেহরির সময় বিদ্যুতের সমস্যা হবে না। বরং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য যদি প্রয়োজন হয় অর্থাৎ দিনের যে সময়টা বেশি বিদ্যুতের প্রয়োজন নাই, তখন যদি দুই থেকে তিন ঘণ্টা লোডশেডিং করা হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়েই থাকবে। তাহলে তারাবি বা সেহরির সময় বিদ্যুতের সংকট থাকবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এক সময় তো বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পেতেনই না। ১০ ঘণ্টা বা ১২ ঘণ্টা বা দিনের পর দিন লোড শেডিং থাকত। এখন তো আর সেটা থাকে না। তবে আমার মনে হয় মাঝে মাঝে থাকা ভালো তাহলে মানুষ অতীতকে ভুলে যাবে না। অন্তত উপলব্ধি করবে কোথায় ছিলাম আর কোথায় এসেছি।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রমজানে লোডশেডিংয়ের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় :

 

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১২ মার্চ থেকে রোজা শুরু হতে পারে।

রমজানে লোডশেডিংয়ের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এই ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় শেখ হাসিনা বলেন, তেলের দাম, এলএনজির দাম, পরিবহণ সবকিছুর মূল্যই বেড়েছে। তারপরেও আমাদের প্রচেষ্টা রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের। কিন্তু এটাও ঠিক যে আমাদের জ্বালানি তেল বা এলএনজির সংকট রয়েছে। তারপর যান্ত্রিক কারণে কোনো কোনো সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পায় বা ব্যাহত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, এ কারণে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারাবির সময় বা সেহরির সময় বিদ্যুতের সমস্যা হবে না। বরং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য যদি প্রয়োজন হয় অর্থাৎ দিনের যে সময়টা বেশি বিদ্যুতের প্রয়োজন নাই, তখন যদি দুই থেকে তিন ঘণ্টা লোডশেডিং করা হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়েই থাকবে। তাহলে তারাবি বা সেহরির সময় বিদ্যুতের সংকট থাকবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এক সময় তো বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পেতেনই না। ১০ ঘণ্টা বা ১২ ঘণ্টা বা দিনের পর দিন লোড শেডিং থাকত। এখন তো আর সেটা থাকে না। তবে আমার মনে হয় মাঝে মাঝে থাকা ভালো তাহলে মানুষ অতীতকে ভুলে যাবে না। অন্তত উপলব্ধি করবে কোথায় ছিলাম আর কোথায় এসেছি।