ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

রামগঞ্জের আল-ফারুক হাসপাতালে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগ

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রামগঞ্জে বেসরকারি আল-ফারুক হাসপাতালে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ ডিসেম্বর, তবে বিষয়টি আলোচনায় আসে ২১ ডিসেম্বর, যখন খান সবুজ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টে দাবি করা হয়, ঠান্ডা ও জ্বরজনিত কারণে তাঁর ৯ মাস বয়সী শিশুকে আল-ফারুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ইনজেকশন দেওয়ার জন্য ক্যানোলা সেট করতে গিয়ে একই স্থানে ৬-৭ বার চেষ্টা করা হয়, প্রায় ১৫-২০ মিনিট সময় নেয়। এতে শিশুর হাতে একাধিক ফোঁড়া দেখা যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নার্সদের অদক্ষতা ও অসতর্ক আচরণের কারণে শিশুটি মানসিকভাবে ভীত হয়ে পড়ে এবং ঘটনার পর থেকে ইনজেকশন দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে যায়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই শিশু রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষ সতর্কতা, দক্ষ নার্স নিয়োগ এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ওপর নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আল-ফারুক হাসপাতালের ম্যানেজার কাউসার আলম জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত নন এবং রোগীর পরিবার থেকে এ বিষয়ে কেউ তাঁর কাছে কোনো অভিযোগ জানাননি। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রামগঞ্জের আল-ফারুক হাসপাতালে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগ

আপডেট সময় :

রামগঞ্জে বেসরকারি আল-ফারুক হাসপাতালে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ ডিসেম্বর, তবে বিষয়টি আলোচনায় আসে ২১ ডিসেম্বর, যখন খান সবুজ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টে দাবি করা হয়, ঠান্ডা ও জ্বরজনিত কারণে তাঁর ৯ মাস বয়সী শিশুকে আল-ফারুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ইনজেকশন দেওয়ার জন্য ক্যানোলা সেট করতে গিয়ে একই স্থানে ৬-৭ বার চেষ্টা করা হয়, প্রায় ১৫-২০ মিনিট সময় নেয়। এতে শিশুর হাতে একাধিক ফোঁড়া দেখা যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নার্সদের অদক্ষতা ও অসতর্ক আচরণের কারণে শিশুটি মানসিকভাবে ভীত হয়ে পড়ে এবং ঘটনার পর থেকে ইনজেকশন দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে যায়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই শিশু রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষ সতর্কতা, দক্ষ নার্স নিয়োগ এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ওপর নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আল-ফারুক হাসপাতালের ম্যানেজার কাউসার আলম জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত নন এবং রোগীর পরিবার থেকে এ বিষয়ে কেউ তাঁর কাছে কোনো অভিযোগ জানাননি। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।