ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo পঞ্চগড়ে দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট Logo কাঁঠালিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাবে: ত্রাণমন্ত্রী Logo শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo আগামীকাল কুড়িগ্রামে এনসিপির কৃষক সমাবেশে যোগ দেবেন নাহিদ ইসলাম Logo ৭৩ বছর পর ছোনকা বিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের অনুমোদন Logo নগরকান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি এলাকাবাসীর Logo দলিল লেখক মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন Logo ঈশ্বরদীতে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পে ৮০ জনের ছানি অপারেশন

কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান

সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যটন নগরী কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান-এর নির্দেশনায় পৃথক অভিযানে কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও রামু থানা পুলিশ মোট ১৪ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে সদর মডেল থানায় ৭ জন এবং রামু থানায় ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া-এর নেতৃত্বে আরও ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবনী পয়েন্ট ও গুমগাছতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ জন শীর্ষ ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ছিনতাই ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ধারালো চাকু, দা ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে রামু থানা এলাকায় ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া-এর নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে আরও ৭ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব ব্যক্তি মহাসড়ক, বাজার এলাকা ও বিভিন্ন স্পটে সাধারণ মানুষ ও পথচারীদের টার্গেট করে ছিনতাই করে আসছিল।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটকের চাপ বাড়ায় কক্সবাজার শহর, সৈকত এলাকা, কলাতলী, সুগন্ধা, লাবনী এলাকা সহ ছিনতাই কারী ও অপরাধীদের অপতৎপরতা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পায় একই ভাবে রামু উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ছিনতাইকারী ও ইভটিজার আশংকা জনক হারে বৃদ্ধি পায়।সাধারন পথচারী ও স্কুল -কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে ছিনতাইকারী ও ইভটিজিং আতংক বিরাজ করে আসছে।
এমন পরিস্থিতিতে জনমনে স্বস্তি ও নির্বিঘ্ন করতে করতে জেলা ব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে অপরাধী চক্রের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও জেলা পুলিশের এই অভিযান ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ” পুলিশের এমন কঠোর পদক্ষেপ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ছিনতাই কারী ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা দিয়েই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি রামু থানার ফেইসবুক আইডি থেকে কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং তথ্য দাতার পরিচয় গোপন রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
এ দিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) ছমি উদ্দিন ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং সহ চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে রাত -দিন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর জেলায় সন্ত্রাসীদের নির্মূলে আরো বড় ধরনের অভিযান চালানো হবে।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, পুলিশি গ্রেপ্তার আতংকে মফস্বল এলাকায় অবস্থিত সন্ত্রাসীদের আস্তনায় আত্নগোপন করছে।বিশেষ করে গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া কিশোর গ্যাং, ছিনতাই কারী ও ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের আস্ফালন বেড়ে গেছে। পাশাপাশি চোরাচালান পাচার ও চোরাকারবারীদের দৌরাত্ম্য আশংঙ্কা জনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান

সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

আপডেট সময় :

পর্যটন নগরী কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান-এর নির্দেশনায় পৃথক অভিযানে কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও রামু থানা পুলিশ মোট ১৪ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে সদর মডেল থানায় ৭ জন এবং রামু থানায় ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া-এর নেতৃত্বে আরও ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবনী পয়েন্ট ও গুমগাছতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ জন শীর্ষ ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ছিনতাই ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ধারালো চাকু, দা ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে রামু থানা এলাকায় ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া-এর নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে আরও ৭ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব ব্যক্তি মহাসড়ক, বাজার এলাকা ও বিভিন্ন স্পটে সাধারণ মানুষ ও পথচারীদের টার্গেট করে ছিনতাই করে আসছিল।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটকের চাপ বাড়ায় কক্সবাজার শহর, সৈকত এলাকা, কলাতলী, সুগন্ধা, লাবনী এলাকা সহ ছিনতাই কারী ও অপরাধীদের অপতৎপরতা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পায় একই ভাবে রামু উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ছিনতাইকারী ও ইভটিজার আশংকা জনক হারে বৃদ্ধি পায়।সাধারন পথচারী ও স্কুল -কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে ছিনতাইকারী ও ইভটিজিং আতংক বিরাজ করে আসছে।
এমন পরিস্থিতিতে জনমনে স্বস্তি ও নির্বিঘ্ন করতে করতে জেলা ব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে অপরাধী চক্রের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও জেলা পুলিশের এই অভিযান ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ” পুলিশের এমন কঠোর পদক্ষেপ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ছিনতাই কারী ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা দিয়েই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি রামু থানার ফেইসবুক আইডি থেকে কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং তথ্য দাতার পরিচয় গোপন রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
এ দিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) ছমি উদ্দিন ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং সহ চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে রাত -দিন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর জেলায় সন্ত্রাসীদের নির্মূলে আরো বড় ধরনের অভিযান চালানো হবে।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, পুলিশি গ্রেপ্তার আতংকে মফস্বল এলাকায় অবস্থিত সন্ত্রাসীদের আস্তনায় আত্নগোপন করছে।বিশেষ করে গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া কিশোর গ্যাং, ছিনতাই কারী ও ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের আস্ফালন বেড়ে গেছে। পাশাপাশি চোরাচালান পাচার ও চোরাকারবারীদের দৌরাত্ম্য আশংঙ্কা জনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।