সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন সিংড়ার জাকির
- আপডেট সময় : ২৮ বার পড়া হয়েছে
মোঃ জাকির হোসেন একজন সফল কৃষক। ধান চাষের পাশাপাশি বরই চাষ, পিয়ারা ও ড্রাগন চাষে সফল হওয়ার পর এবার তিনি অধিক লাভের স্বপ্ন দেখছেন সূর্যমুখী চাষে। সফল এই কৃষকের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার চামারী ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।
চলতি বছরে কৃষিপ্রণোদনার সহযোগিতায় বাড়ির কাছে ৫০ শতাংশ জায়গায় তিনি চাষ করেছেন সূর্যমুখীর। প্রতি বিঘায় তার খরচ হয়েছে ৮ হাজার টাকা থেকে ৯ হাজার টাকা। খরচ বাদে প্রতি বিঘায় ১০ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক জাকিরের বাড়ির পাশের ৫০শতাংশ জমিতে অসংখ্য সূর্যমুখীর ফুল ফুটেছে। সবগুলো ফুলই সূর্যের দিকে মুখকরা। র্সূয যেদিকে যায় ফুলও সেই মুখি হয়। সবুজ গাছে হলুদ সূর্যমুখী ফুলে দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যে সবার নজর কাড়ছে তার ক্ষেত।
রাস্তার পাশ দিয়ে যারাই যাচ্ছেন একনজর দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন সবাই।
কৃষক জাকির জানান, সূর্যমুখীর চাষ সরিষার মত হলেও সরিষার চেয়ে খরচ কিছুটা কম। ৯০ থেকে ১০৫ দিনের ফসল এটি। তিনি জানান, চাষ থেকে শুরু করে দেড় বিঘায় আমার খরচ হয়েছে ১২ হাজার টাকা। উপজেলা কৃষি প্রণোদনায় বীজ ও অন্যান্য সহযোগিতা পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ ফলন ভালো হয়েছে। বিঘায় ৫ মণ ফলনের আশা করছি। দেড় বিঘায় ৭ মণের বেশি ফলন হবে বলেও আশা করছেন তিনি। তিনি আরো জানান, সূর্যমুখীর বীজ বর্তমান বাজার ৩ হাজার ৫শ টাকার মত। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে আর ঠিকঠাক মত ফসল কেটে করে ঘরে তুলতে পারলে খরচ বাদে দেড় বিঘায় ১৫ হাজার টাকার বেশি লাভের আশা করছি। এর পর এই জমিতে ধান সহ আরো দুটি ফসলের চাষ হবে। আগামী বছরে এ ফসলের চাষ বাড়াবেন বলে আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ খন্দকার ফরিদ জানান, বর্তমান বাজারে ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে সরিষার পাশাপাশি সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। আমরা কৃষিপ্রণোনদা সহ সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি। উপজেলায় পরীক্ষামূলক কিছু জায়গায় স্র্যূমুখীর চাষ হয়েছে। ভালো ফলন ও দামে লাভবান হবেন কৃষক। আশা করছি সিংড়া উপজেলায় আগামীতে সূর্যমুখীর চাষ বাড়বে।



















