ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

স্কুলশিক্ষকে অপরহরণ ও হত্যার মূল পান্ড যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর: র‌্যাব

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কক্সবাজারের পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আরিফকে অপরহরণ ও হত্যার পর মরদেহ গুম করতে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত পুকুরে বস্তাবন্দি অবস্থায় ডুবিয়ে রাখা হয়।

শিক্ষক অপহরণের পর পরিবারের সদস্যরা র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে খুন করা হয়।

রোববার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার র‌্যাব ১৫ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে যুক্ত হয়ে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এসব তথ্য জানান।

হত্যাকাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী ও হোতা পেকুয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমকে আটকের পর এমন তথ্য বেরিয়ে আসার কথা জানান র‌্যার এই কর্মকর্তা।

শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পূর্ব মাদারবাড়ি এলাকা থেকে জাহাঙ্গিরকে গ্রেপ্তার আটক করা হয়। আরিফকে অপহরণে সহযোগিতা করেন মোবাইল অপারেটর কোম্পানিতে কর্মরত রুবেল খান নামে এক যুবক।

রুবেল হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। রুবেল শিক্ষক আরিফের পরিবারের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণও দাবি করেন। এরই মধ্যে ঘটনায় জড়িত অভিযোগে রুবেলকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আরিফকে অপহরণ করে। পরে দুর্বৃত্তরা মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

শুক্রবার বিকেলে আরিফের বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

স্কুলশিক্ষকে অপরহরণ ও হত্যার মূল পান্ড যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর: র‌্যাব

আপডেট সময় :

 

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কক্সবাজারের পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আরিফকে অপরহরণ ও হত্যার পর মরদেহ গুম করতে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত পুকুরে বস্তাবন্দি অবস্থায় ডুবিয়ে রাখা হয়।

শিক্ষক অপহরণের পর পরিবারের সদস্যরা র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে খুন করা হয়।

রোববার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার র‌্যাব ১৫ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে যুক্ত হয়ে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এসব তথ্য জানান।

হত্যাকাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী ও হোতা পেকুয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমকে আটকের পর এমন তথ্য বেরিয়ে আসার কথা জানান র‌্যার এই কর্মকর্তা।

শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পূর্ব মাদারবাড়ি এলাকা থেকে জাহাঙ্গিরকে গ্রেপ্তার আটক করা হয়। আরিফকে অপহরণে সহযোগিতা করেন মোবাইল অপারেটর কোম্পানিতে কর্মরত রুবেল খান নামে এক যুবক।

রুবেল হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। রুবেল শিক্ষক আরিফের পরিবারের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণও দাবি করেন। এরই মধ্যে ঘটনায় জড়িত অভিযোগে রুবেলকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আরিফকে অপহরণ করে। পরে দুর্বৃত্তরা মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

শুক্রবার বিকেলে আরিফের বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।