ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

স্বতন্ত্র প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার মওদুদ পত্নী

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদর আংশিক) আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত প্রার্থীতা প্রত্যাহারের মাধ্যমে নির্বাচনে প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বুধবার বিকেল ৪ টায় হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার স্বামী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ এবং আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই এলাকার সেবা করেছি। আওয়ামী লীগের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার কারণে ২০১৭ সাল থেকে আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। দলীয় নমিনেশন না পেয়ে আশাহত হয়েছি। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলাম।
গত রোববার ঢাকার গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খোলা শোক বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করেন। এরপর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাত হয়। ওই সাক্ষাতে নোয়াখালী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার প্রার্থীতা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, দলের চেয়ারপারসন ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি নোয়াখালী-৫ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ২০ জানুয়ারীর ভিতরে আমি স্বশরীরে গিয়ে প্রত্যাহারের কাজ শেষ করবো।
প্রসঙ্গত, হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ পল্লীকবি জসীমউদ্দিনের মেয়ে ও প্রয়াত বিএনপি নেতা ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের পত্নী। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে স্বামী ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের ছেড়ে দেওয়া নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এবার এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

স্বতন্ত্র প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার মওদুদ পত্নী

আপডেট সময় :

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদর আংশিক) আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত প্রার্থীতা প্রত্যাহারের মাধ্যমে নির্বাচনে প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বুধবার বিকেল ৪ টায় হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার স্বামী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ এবং আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই এলাকার সেবা করেছি। আওয়ামী লীগের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার কারণে ২০১৭ সাল থেকে আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। দলীয় নমিনেশন না পেয়ে আশাহত হয়েছি। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলাম।
গত রোববার ঢাকার গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খোলা শোক বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করেন। এরপর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাত হয়। ওই সাক্ষাতে নোয়াখালী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার প্রার্থীতা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, দলের চেয়ারপারসন ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি নোয়াখালী-৫ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ২০ জানুয়ারীর ভিতরে আমি স্বশরীরে গিয়ে প্রত্যাহারের কাজ শেষ করবো।
প্রসঙ্গত, হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ পল্লীকবি জসীমউদ্দিনের মেয়ে ও প্রয়াত বিএনপি নেতা ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের পত্নী। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে স্বামী ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের ছেড়ে দেওয়া নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এবার এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।