ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

অযত্ন অবহেলায় বধ্যভূমি গণকবর

কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিজয়ের ৫৪ বছর পার হলেও ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া এলাকায় পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্মমভাবে জীবন দেওয়া ২৬ জন মুক্তিযোদ্ধার গণকবরের খোঁজ রাখেনি কেউ।
আওরাবুনিয়া এলাকায় পাক বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। শহীদের বুকের রক্তে ভিজেছিল এখানকার মাটি। বধ্যভূমির পাশ দিয়ে বয়ে চলা বিষখালী নদীতে প্রায়ই ভেসে যেত শহীদের মরদেহ।
ডিসেম্বর এলে সারাদেশে যখন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে স্মরন ও শ্রদ্ধা জানানো হয়। সে সময় শুধু অজানা কারণে ওই ২৬ মুক্তিযোদ্ধার সমাধির দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। অথচ এখানেই মুক্তিযুদ্ধের সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা লালমোহন গাইন, সূর্যকান্ত গাইন, ইন্দুভুষন হাওলাদার, হরেন ওঝা, নগ্রেন্দ্র হাওলাদার, নির্মল সিকদার, মহেন্দ্র হাওলাদার, ভবরঞ্জন ওঝা, রুহিনী মালী, রাখাল চন্দ্র, মহেন্দ্র চক্রবর্তী, নিবারন হাওলাদার, যজ্ঞেশ্বর হাওলাদার, শ্যামল লাল সিকদার, রাজা মন্ডল, কামিনী বেপারী, নিবারন বেপারী, সারদা বেপারী, মাধব রায়, জয়দেব কুন্ড, জগবন্ধু কুন্ড, যাদব সাধু, চান্দু হাওলাদার, গুরুদাস কর্মকার, শ্যামল চন্দ্র ও উপেন্দ্র হালদারকে বাড়ী থেকে ধরে এনে আওরাবুনিয়া বাজার সংলগ্ন আওরাবুনিয়া মডেল হাই স্কুল মাঠের উত্তর পুর্ব কোনে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।
স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও এ বধ্যভুমিটি সংরক্ষনের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্মাণ করা হয়নি কোনো স্মৃতিসৌধ বা স্মৃতিফলক।
উপজেলার আওরাবুনিয়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা সুখরঞ্জন হাওলাদার আপেক্ষ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধদের অনেক স্মৃতি ইতিহাস আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। স্মৃতি ধরে রাখার জন্য আওরাবুনিয়ায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.মকবুল হোসেন জানান, আমি এখানে সদ্য যোগদান করেছি। স্থানটি চিহ্নিত করে সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অযত্ন অবহেলায় বধ্যভূমি গণকবর

আপডেট সময় :

বিজয়ের ৫৪ বছর পার হলেও ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া এলাকায় পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্মমভাবে জীবন দেওয়া ২৬ জন মুক্তিযোদ্ধার গণকবরের খোঁজ রাখেনি কেউ।
আওরাবুনিয়া এলাকায় পাক বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। শহীদের বুকের রক্তে ভিজেছিল এখানকার মাটি। বধ্যভূমির পাশ দিয়ে বয়ে চলা বিষখালী নদীতে প্রায়ই ভেসে যেত শহীদের মরদেহ।
ডিসেম্বর এলে সারাদেশে যখন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে স্মরন ও শ্রদ্ধা জানানো হয়। সে সময় শুধু অজানা কারণে ওই ২৬ মুক্তিযোদ্ধার সমাধির দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। অথচ এখানেই মুক্তিযুদ্ধের সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা লালমোহন গাইন, সূর্যকান্ত গাইন, ইন্দুভুষন হাওলাদার, হরেন ওঝা, নগ্রেন্দ্র হাওলাদার, নির্মল সিকদার, মহেন্দ্র হাওলাদার, ভবরঞ্জন ওঝা, রুহিনী মালী, রাখাল চন্দ্র, মহেন্দ্র চক্রবর্তী, নিবারন হাওলাদার, যজ্ঞেশ্বর হাওলাদার, শ্যামল লাল সিকদার, রাজা মন্ডল, কামিনী বেপারী, নিবারন বেপারী, সারদা বেপারী, মাধব রায়, জয়দেব কুন্ড, জগবন্ধু কুন্ড, যাদব সাধু, চান্দু হাওলাদার, গুরুদাস কর্মকার, শ্যামল চন্দ্র ও উপেন্দ্র হালদারকে বাড়ী থেকে ধরে এনে আওরাবুনিয়া বাজার সংলগ্ন আওরাবুনিয়া মডেল হাই স্কুল মাঠের উত্তর পুর্ব কোনে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।
স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও এ বধ্যভুমিটি সংরক্ষনের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্মাণ করা হয়নি কোনো স্মৃতিসৌধ বা স্মৃতিফলক।
উপজেলার আওরাবুনিয়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা সুখরঞ্জন হাওলাদার আপেক্ষ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধদের অনেক স্মৃতি ইতিহাস আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। স্মৃতি ধরে রাখার জন্য আওরাবুনিয়ায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.মকবুল হোসেন জানান, আমি এখানে সদ্য যোগদান করেছি। স্থানটি চিহ্নিত করে সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে।