ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

ঈশ্বরগঞ্জে মনোনয়ন বঞ্চিতের বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি শাহ্ নরুল কবীর শাহীন দল থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে ব্যক্তিগত কারন দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর বারটায় ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সকল কর্মকান্ড থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনের জানান, ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নের সময় ফজলুল হক হলে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলাম। সেই থেকে ৪৩ বছর যাবত বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। এক এগারোর সময় টিভি চ্যানেলের টকশোসহ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে দলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে কথা বলেছি যা ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিষয়। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রাজপথে মিটিং মিছিল আন্দোলন করতে গিয়ে জেল জুলুমের শিকার হয়েছি। ২০০১ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৬ সালে মনোনয়ন দেওয়া হলেও নির্বাচন হয়নি। ২০১৪ সালে নির্বাচনে দল অংশগ্রহণ করেনি পরে ২০১৮ সালে প্রাথমিকভাবে দল আমাকে মনোনয়ন দিলেও জোটগত কারনে প্রার্থীতা থেকে বঞ্চিত হই। এরপরও আমি দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে দলীয় সকল কার্যক্রম নিরলস ভাবে চালিয়ে গিয়েছি। আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়ণ করবে বলে আশা করেছিলাম কিন্তু দুঃখের বিষয় ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনেক মনোনয়ন রদবদল হলেও দল আমার প্রতি কোন বিবেচনা করেনি। ফলে আমি এই দলের সকল কর্মকান্ড থেকে এবং দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আমার এই পদত্যাগ পত্র দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর ডাকযোগে প্রেরণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বিভিন্ন দল থেকে মনোনয়ন নেয়ার জন্যে আহবান জানানো হচ্ছে। এখনও অন্য কোন দল থেকে নির্বাচন করবো কি না তা সিদ্ধান্ত নেইনি তবে মাঠের বিপুল জনমতের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঈশ্বরগঞ্জে মনোনয়ন বঞ্চিতের বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন

আপডেট সময় :

ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি শাহ্ নরুল কবীর শাহীন দল থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে ব্যক্তিগত কারন দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর বারটায় ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সকল কর্মকান্ড থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনের জানান, ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নের সময় ফজলুল হক হলে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলাম। সেই থেকে ৪৩ বছর যাবত বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। এক এগারোর সময় টিভি চ্যানেলের টকশোসহ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে দলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে কথা বলেছি যা ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিষয়। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রাজপথে মিটিং মিছিল আন্দোলন করতে গিয়ে জেল জুলুমের শিকার হয়েছি। ২০০১ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৬ সালে মনোনয়ন দেওয়া হলেও নির্বাচন হয়নি। ২০১৪ সালে নির্বাচনে দল অংশগ্রহণ করেনি পরে ২০১৮ সালে প্রাথমিকভাবে দল আমাকে মনোনয়ন দিলেও জোটগত কারনে প্রার্থীতা থেকে বঞ্চিত হই। এরপরও আমি দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে দলীয় সকল কার্যক্রম নিরলস ভাবে চালিয়ে গিয়েছি। আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়ণ করবে বলে আশা করেছিলাম কিন্তু দুঃখের বিষয় ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনেক মনোনয়ন রদবদল হলেও দল আমার প্রতি কোন বিবেচনা করেনি। ফলে আমি এই দলের সকল কর্মকান্ড থেকে এবং দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আমার এই পদত্যাগ পত্র দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর ডাকযোগে প্রেরণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বিভিন্ন দল থেকে মনোনয়ন নেয়ার জন্যে আহবান জানানো হচ্ছে। এখনও অন্য কোন দল থেকে নির্বাচন করবো কি না তা সিদ্ধান্ত নেইনি তবে মাঠের বিপুল জনমতের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।