ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

এক মা দুনিয়া ছেড়ে চলে যাবার কথা কখন বলেন?

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম :

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বিয়ের কথা বলেছিলেন অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

মাত্র এক বছর আগেই হারিয়েছেন স্বামীকে। এবার ছেড়ে চলে গেল মেয়ে। এই শোক প্রতি মুহূর্ত মা তাহমিনা শবনমের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কিছুতেই থামছে না তার কান্না।

সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বামী-সন্তানহারা এই মা। বারবারই তার গলা ধরে আসছিলো। কথা বলতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। দু’চোখের জলে বুক ভেসে যাচ্ছিল। আমিতো কারো ক্ষতি করিনি। আমার এতো বড় ক্ষতি কেন হলো?

এই প্রশ্নের উত্তর নেই। কান্নায় ভেঙ্গে পড়া একজন মায়ের আকুতি এই সমাজ দেখবে, ানেক কিছু খোঁজার চেষ্টা করবে। তবে অবন্তি মায়ের কাছে ফিরবে না!

বুক ফাটা আর্তনাতের মধ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও তার প্রশ্ন। বারবার দেওয়া অভিযোগের কোনো প্রতিকারতো পাননি, বরং উল্টো অবন্তিকাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। প্রশ্ন রাখেন, যে মেয়ে ডিপার্টমেন্টে প্রথম হয়, সে কীভাবে আত্মহত্যা করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে?

এই মা বলেন, আমি সব রকম চেষ্টা করেছি। বিভাগের চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি, প্রক্টরকে জানিয়েছি। কী ব্যবস্থা নিয়েছেন তারা? আমি দ্বীন ইসলামের কাছে অভিযোগ করার পর সে আমার মেয়েকে বলেছে, অবন্তিকা বাবা নাকি তার সঙ্গে অবন্তিকার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। এসব কথা কি একটা মেয়ে নিতে পারে?

আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন, আমার ছেলেকে নিয়ে আমিও পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবো। আমি এর বিচার দুনিয়াবাসীর কাছে দিয়ে গেলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এক মা দুনিয়া ছেড়ে চলে যাবার কথা কখন বলেন?

আপডেট সময় :

 

বিয়ের কথা বলেছিলেন অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

মাত্র এক বছর আগেই হারিয়েছেন স্বামীকে। এবার ছেড়ে চলে গেল মেয়ে। এই শোক প্রতি মুহূর্ত মা তাহমিনা শবনমের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কিছুতেই থামছে না তার কান্না।

সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বামী-সন্তানহারা এই মা। বারবারই তার গলা ধরে আসছিলো। কথা বলতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। দু’চোখের জলে বুক ভেসে যাচ্ছিল। আমিতো কারো ক্ষতি করিনি। আমার এতো বড় ক্ষতি কেন হলো?

এই প্রশ্নের উত্তর নেই। কান্নায় ভেঙ্গে পড়া একজন মায়ের আকুতি এই সমাজ দেখবে, ানেক কিছু খোঁজার চেষ্টা করবে। তবে অবন্তি মায়ের কাছে ফিরবে না!

বুক ফাটা আর্তনাতের মধ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও তার প্রশ্ন। বারবার দেওয়া অভিযোগের কোনো প্রতিকারতো পাননি, বরং উল্টো অবন্তিকাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। প্রশ্ন রাখেন, যে মেয়ে ডিপার্টমেন্টে প্রথম হয়, সে কীভাবে আত্মহত্যা করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে?

এই মা বলেন, আমি সব রকম চেষ্টা করেছি। বিভাগের চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি, প্রক্টরকে জানিয়েছি। কী ব্যবস্থা নিয়েছেন তারা? আমি দ্বীন ইসলামের কাছে অভিযোগ করার পর সে আমার মেয়েকে বলেছে, অবন্তিকা বাবা নাকি তার সঙ্গে অবন্তিকার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। এসব কথা কি একটা মেয়ে নিতে পারে?

আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন, আমার ছেলেকে নিয়ে আমিও পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবো। আমি এর বিচার দুনিয়াবাসীর কাছে দিয়ে গেলাম।