৯ ঘণ্টা পর নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার
খান জাহান আলীর দিঘিতে কুমিরের হামলা
- আপডেট সময় : ২৩ বার পড়া হয়েছে
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খান জাহান আলী (রঃ) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করতে নেমে কুমিরের হামলার শিকার হওয়া শিশু ফাতেমা খাতুনের (৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা পর দিঘি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা।
এর আগে গতকাল সোমবার (০১ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মাজারের মহিলা ঘাটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফাতেমা এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান বলে জানা গেছে।স্থানীয় ও মাজার কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে শিশু ফাতেমা তার মায়ের সাথে মাজারের মহিলা ঘাটে গোসল করতে নামে। এ সময় দিঘিতে থাকা একটি বিশাল আকৃতির কুমির আচমকা শিশুটির ওপর হামলা চালায় এবং তাকে কামড়ে ধরে পানির নিচে নিয়ে যায়। শিশুটির চিৎকার শুনে মাজার এলাকায় থাকা দর্শনার্থী ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান এবং প্রশাসনকে খবর দেন। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মহিদুল ইসলাম।
জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেনের নির্দেশে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল, পুলিশ ও স্থানীয়রা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাতভর পুরো দিঘিজুড়ে তল্লাশি চালানোর পর, নিখোঁজ হওয়ার ৯ ঘণ্টা পর ফাতেমার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।জেলা প্রশাসনের বক্তব্য: ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে উদ্ধার কার্যক্রমে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের সব ধরনের চেষ্টা চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।










