ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরল জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ ৪১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ৫ মাস ১২ দিন পর দেশে ফিরেছেন জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু বাসিত খান মুসা (৭)। গেল গনঅভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন মুসা।
৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে একটি ফ্লাইটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে দেশে ফেরে শিশুটি। সেখান থেকে সামরিক বাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নেয়া হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)। সেখানে তার পুনরায় পরিক্ষা নিরীক্ষা চেকআপ চলছে।
গত ১৯ জুলাই গনঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মেরাদিয়া হাট এলাকায় নিজ বাসার নিচে মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে নেমে নাতি মুসাসহ দাদি মায়া ইসলাম (৬০) গুলিবিদ্ধ হন। মায়া ইসলাম পরদিন মারা যান। আর মুসার মাথার একপাশ দিয়ে গুলি ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে চলে যায়। বাঁচার কথা না থাকলেও স্রষ্টার অশেষ কৃপায় বেঁচে যায় সে।
প্রথম দফায় গুলিবিদ্ধ মুসাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গত ২৬ আগস্ট তাকে সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা জানান উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর নিতে হবে। এরপর অত্যন্ত সংকটাপন্ন মুসাকে গত ২২ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে দীর্ঘ সময় ধরে মুসার চিকিৎসা চলে। চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হওয়ায় দেশে ফিরল শিশুটি।
শিশুটির পারিবারিক সূত্র জানায়, মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান বাসিত খান মুসা। মালিবাগে মুসার বাবা ও দাদার ইলেকট্রনিক পণ্যের একটি দোকান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরল জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

আপডেট সময় : ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ৫ মাস ১২ দিন পর দেশে ফিরেছেন জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু বাসিত খান মুসা (৭)। গেল গনঅভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন মুসা।
৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে একটি ফ্লাইটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে দেশে ফেরে শিশুটি। সেখান থেকে সামরিক বাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নেয়া হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)। সেখানে তার পুনরায় পরিক্ষা নিরীক্ষা চেকআপ চলছে।
গত ১৯ জুলাই গনঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মেরাদিয়া হাট এলাকায় নিজ বাসার নিচে মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে নেমে নাতি মুসাসহ দাদি মায়া ইসলাম (৬০) গুলিবিদ্ধ হন। মায়া ইসলাম পরদিন মারা যান। আর মুসার মাথার একপাশ দিয়ে গুলি ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে চলে যায়। বাঁচার কথা না থাকলেও স্রষ্টার অশেষ কৃপায় বেঁচে যায় সে।
প্রথম দফায় গুলিবিদ্ধ মুসাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গত ২৬ আগস্ট তাকে সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা জানান উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর নিতে হবে। এরপর অত্যন্ত সংকটাপন্ন মুসাকে গত ২২ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে দীর্ঘ সময় ধরে মুসার চিকিৎসা চলে। চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হওয়ায় দেশে ফিরল শিশুটি।
শিশুটির পারিবারিক সূত্র জানায়, মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান বাসিত খান মুসা। মালিবাগে মুসার বাবা ও দাদার ইলেকট্রনিক পণ্যের একটি দোকান রয়েছে।