ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরল জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ৫ মাস ১২ দিন পর দেশে ফিরেছেন জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু বাসিত খান মুসা (৭)। গেল গনঅভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন মুসা।
৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে একটি ফ্লাইটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে দেশে ফেরে শিশুটি। সেখান থেকে সামরিক বাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নেয়া হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)। সেখানে তার পুনরায় পরিক্ষা নিরীক্ষা চেকআপ চলছে।
গত ১৯ জুলাই গনঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মেরাদিয়া হাট এলাকায় নিজ বাসার নিচে মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে নেমে নাতি মুসাসহ দাদি মায়া ইসলাম (৬০) গুলিবিদ্ধ হন। মায়া ইসলাম পরদিন মারা যান। আর মুসার মাথার একপাশ দিয়ে গুলি ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে চলে যায়। বাঁচার কথা না থাকলেও স্রষ্টার অশেষ কৃপায় বেঁচে যায় সে।
প্রথম দফায় গুলিবিদ্ধ মুসাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গত ২৬ আগস্ট তাকে সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা জানান উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর নিতে হবে। এরপর অত্যন্ত সংকটাপন্ন মুসাকে গত ২২ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে দীর্ঘ সময় ধরে মুসার চিকিৎসা চলে। চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হওয়ায় দেশে ফিরল শিশুটি।
শিশুটির পারিবারিক সূত্র জানায়, মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান বাসিত খান মুসা। মালিবাগে মুসার বাবা ও দাদার ইলেকট্রনিক পণ্যের একটি দোকান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরল জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

আপডেট সময় :

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ৫ মাস ১২ দিন পর দেশে ফিরেছেন জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ শিশু বাসিত খান মুসা (৭)। গেল গনঅভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন মুসা।
৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে একটি ফ্লাইটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে দেশে ফেরে শিশুটি। সেখান থেকে সামরিক বাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নেয়া হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)। সেখানে তার পুনরায় পরিক্ষা নিরীক্ষা চেকআপ চলছে।
গত ১৯ জুলাই গনঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মেরাদিয়া হাট এলাকায় নিজ বাসার নিচে মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে নেমে নাতি মুসাসহ দাদি মায়া ইসলাম (৬০) গুলিবিদ্ধ হন। মায়া ইসলাম পরদিন মারা যান। আর মুসার মাথার একপাশ দিয়ে গুলি ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে চলে যায়। বাঁচার কথা না থাকলেও স্রষ্টার অশেষ কৃপায় বেঁচে যায় সে।
প্রথম দফায় গুলিবিদ্ধ মুসাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গত ২৬ আগস্ট তাকে সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা জানান উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর নিতে হবে। এরপর অত্যন্ত সংকটাপন্ন মুসাকে গত ২২ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে দীর্ঘ সময় ধরে মুসার চিকিৎসা চলে। চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হওয়ায় দেশে ফিরল শিশুটি।
শিশুটির পারিবারিক সূত্র জানায়, মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান বাসিত খান মুসা। মালিবাগে মুসার বাবা ও দাদার ইলেকট্রনিক পণ্যের একটি দোকান রয়েছে।