ঢাকা ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

জব্দ কৃত বালু রাতের আঁধারে উধাও, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ও চুনতির সীমানা গহীনে দরিয়া চর এলাকায় কুলপাগলী চড়া থেকে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে বালু উত্তোলন থামছেনা।
সম্প্রতি অবৈধভাবে উত্তোলন কৃত বালু জব্দ করে জড়িত থাকা আটজনে নাম উল্লেখ করে নিয়মিত মামলা করেন উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু জব্দকৃত বালুর স্তুপ গুলো নিলামে বিক্রি এবং নজরদারি না থাকায় রাতের অন্ধকারে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তা।
গতকাল সোম সরেজমিনে উল্লেখিত এলাকায় জব্দকৃত বালু এক স্তুপ লাল পতাকা সংকেত চিহ্ন আছে বাকী পাঁচটি বালুর স্তুপ থেকে পাচারে বিষয়টি সত্যতা পাওয়া গেছে। দেখা গেছে, জব্দ কৃত জায়গার পাশেই বালু উত্তোলন অব্যাহত আছে।
তথ্য অনুসন্ধানে বালি ও মাটি খেকোরা বালি মাটি পাচারে কারণে গ্রামীন জনপদ ধ্বংস, এবং নষ্ট হচ্ছে ভারসাম্যহীন পরিবেশ। সচতেনরা মনে করে জব্দ কৃত বালু নিয়ে যাওয়ার মানে আইনের শাসনকে জবেহ করার শামিল। তাছাড়া বালু গুলো নিলামে তুলে বিক্রি করলে লাভবান হত সরকার। সেখানে কিছু রহস্যের জট আছে বলে দাবি তাঁদের।
মানবাধিকার নেতা এডভোকেট নওশাদ আলী জানান, বালুর উত্তোলনের কারণে মামলা দায়ের হওয়ার পর মামলার কার্যকরি কঠোর ভুমিকা না থাকায় অপরাধীরা তোয়াক্কা করছেন না। তাদের এখনই আইনের আওতায় না আনলে, আইনের শাসন নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই উর্ধতন কতৃপক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।
এক কৃষক জানান, টোকাই মিজানের নেতৃত্বে এলাকায় কিছু সিন্ডিকেট বালু পাচারের সাথে জড়িত। তাদের বিষয়ে কথা বলতেই নারাজ।
এ বিষয়ে উপজেলার ভুমি কমিশনার এসি ল্যান্ড জানান, গত অক্টোবরে দশ তারিখে সাডে তিনশো গণ ফুট বালু জব্দ করছি, এবং জড়িত আট জনে জনর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, জব্দ কৃত বালু থেকে কেউ বিক্রি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জব্দ কৃত বালু রাতের আঁধারে উধাও, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

আপডেট সময় :

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ও চুনতির সীমানা গহীনে দরিয়া চর এলাকায় কুলপাগলী চড়া থেকে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে বালু উত্তোলন থামছেনা।
সম্প্রতি অবৈধভাবে উত্তোলন কৃত বালু জব্দ করে জড়িত থাকা আটজনে নাম উল্লেখ করে নিয়মিত মামলা করেন উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু জব্দকৃত বালুর স্তুপ গুলো নিলামে বিক্রি এবং নজরদারি না থাকায় রাতের অন্ধকারে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তা।
গতকাল সোম সরেজমিনে উল্লেখিত এলাকায় জব্দকৃত বালু এক স্তুপ লাল পতাকা সংকেত চিহ্ন আছে বাকী পাঁচটি বালুর স্তুপ থেকে পাচারে বিষয়টি সত্যতা পাওয়া গেছে। দেখা গেছে, জব্দ কৃত জায়গার পাশেই বালু উত্তোলন অব্যাহত আছে।
তথ্য অনুসন্ধানে বালি ও মাটি খেকোরা বালি মাটি পাচারে কারণে গ্রামীন জনপদ ধ্বংস, এবং নষ্ট হচ্ছে ভারসাম্যহীন পরিবেশ। সচতেনরা মনে করে জব্দ কৃত বালু নিয়ে যাওয়ার মানে আইনের শাসনকে জবেহ করার শামিল। তাছাড়া বালু গুলো নিলামে তুলে বিক্রি করলে লাভবান হত সরকার। সেখানে কিছু রহস্যের জট আছে বলে দাবি তাঁদের।
মানবাধিকার নেতা এডভোকেট নওশাদ আলী জানান, বালুর উত্তোলনের কারণে মামলা দায়ের হওয়ার পর মামলার কার্যকরি কঠোর ভুমিকা না থাকায় অপরাধীরা তোয়াক্কা করছেন না। তাদের এখনই আইনের আওতায় না আনলে, আইনের শাসন নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই উর্ধতন কতৃপক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।
এক কৃষক জানান, টোকাই মিজানের নেতৃত্বে এলাকায় কিছু সিন্ডিকেট বালু পাচারের সাথে জড়িত। তাদের বিষয়ে কথা বলতেই নারাজ।
এ বিষয়ে উপজেলার ভুমি কমিশনার এসি ল্যান্ড জানান, গত অক্টোবরে দশ তারিখে সাডে তিনশো গণ ফুট বালু জব্দ করছি, এবং জড়িত আট জনে জনর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, জব্দ কৃত বালু থেকে কেউ বিক্রি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।