ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালটসহ ভোটের উপকরণ Logo সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে আনসার-ভিডিপি Logo নির্বাচনী মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম Logo কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে, আহত-৭ Logo শাল্লায় জালিয়াতি করে জলমহাল দখল চেষ্টার অভিযোগ Logo বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী Logo মাগুরায় দুই আসনে ৭ দলের ১১ প্রার্থী Logo ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে Logo ‘এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই’ Logo পেঁয়াজের সাদা ফুলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

জমে উঠেছে ফেনী-৩ আসনের নির্বাচন, লড়াই ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার

দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩০ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সারা দেশের ন্যায় ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনের নির্বাচন জমে উঠেছে। রাতদিন এক করে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। ফেনী-৩ সোনাগাজী-দাগনভূঞা আসনটি বিএনপি অধ্যুষিত এলাকায় হলেও বর্তমানে ৫ই জুলাই পরবর্তী প্রেক্ষাপট ও ফেনীর ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপকভাবে জামায়াত ইসলাম তাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। অপরদিকে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। বিগত ২০০১ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধ নির্বাচন করলেও এবার আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দল দু’টি। এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের বড় ভোটব্যাংক রয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনে ফলাফলে দারুণভাবে প্রভাব ফেলবে। অপরদিকে, তরুণ ভোটাররা এ নির্বাচনে ভোটের হিসাবনিকাশ পাল্টে দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। আসনটিতে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি এবং তার নির্বাচনী এলাকায় ও তার বিপুল পরিমাণ জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইতিপূর্বে এলাকায় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, মসজিদ নির্মাণসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এ ছাড়াও দানবীর হিসেবে অত্র এলাকায় তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। তিনিসহ তার পরিবার দীর্ঘদিন থেকে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে আসছে। এ ছাড়াও তার ছোট ভাই আকবর হোসেন দাগনভূঞা পৌরসভার দুইবার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত ২টি সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদে ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত আলাদা নির্বাচন করেছিল। সে নির্বাচনে জামায়াত ১১ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছে, আর বিএনপি পেয়েছে ৪৩ হাজার ৪০৩ ভোট তখনো আসনটিতে বিএনপি জয় লাভ করেছিল। অন্যদিকে, ১৯৯৬ সালে এ আসনে জামায়াত ইসলাম পেয়েছে ৮ হাজার ৪০৩ ভোট, আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৪২ হাজার ১৮২ ভোট আর বিএনপি ৫৮ হাজার ৪৩৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপি ও জামায়াত জোটবদ্ধ নির্বাচন করেছিল, সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪২ হাজার ১১২ ভোট আর বিএনপি ও জামায়াত জোট ৯৪ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। একইভাবে ২০০৮ সালেও বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধ হয়ে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৩৩০ ভোট। সবমিলিয়ে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত জোট আসনটিতে জয় লাভ করে আসছিল।
অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোট জামায়াত ইসলাম মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের ফেনীতে ভয়াবহ বন্যার পর থেকে দাগনভূঞা-সোনাগাজী আসনে ব্যাপক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করার মাধ্যমে নিজের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এবং তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অত্র আসনে নির্বাচন করছেন। অন্যদিকে, অত্র আসনে বেশ কিছু কওমি মাদ্রাসা থাকায় ২ উপজেলা ইসলামী আন্দোলনে বেশ কিছু কর্মী ও সমর্থক রয়েছে। এখানে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী হিসেবে সাইফ উদ্দিন শিপন (হাতপাখা) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তা ছাড়া, অত্র আসনে জাতীয় পার্টি ভালো অবস্থানে রয়েছে। বিগত ২০১৮ ও ২০২৪ সালে মহাজোটের শরিক দল হিসেবে জাতীয় পার্টি থেকে (অব.) জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে বেশ উন্নয়নমূলক কাজ করার কারণে তাদেরও একটা অবস্থান রয়েছে। তারা আগামী নির্বাচনে আবু সুফিয়ানকে (লাঙ্গল) প্রতীক দিয়ে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। এ ছাড়াও এই এলাকা সুন্নি অধ্যুষিত হওয়ার বৃহত্তর সুন্নি জোট মনোনীত প্রার্থী আবু নাছের ও (চেয়ার) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এবার এই আসনে তরুণ ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৫ জন। সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে এই তরুণ ভোটাররা নির্বাচনে ফলাফল পরিবর্তনের মূল কারণ হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়াও সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন এ আসনে হয়েছে যাহার পরিমাণ ১৬ হাজার ৩৮টি। অধিক প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় ভোট নিয়ে প্রবাসী ভোটারদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু (ধানের শীষ) ছাড়াও ১১ দলীয় জোট জামায়াত ইসলাম সমর্থিত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক (দাঁড়িপাল্লা), বৃহত্তর সুন্নি জোট মনোনীত প্রার্থী আবু নাছের (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলন মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো. সাইফ উদ্দিন (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লব মনোনীত প্রার্থী মো. হাসান আহমদ (আপেল), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী (বট গাছ), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত প্রার্থী আবদুল মালেক মনছুর (মই) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জমে উঠেছে ফেনী-৩ আসনের নির্বাচন, লড়াই ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার

আপডেট সময় :

সারা দেশের ন্যায় ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনের নির্বাচন জমে উঠেছে। রাতদিন এক করে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। ফেনী-৩ সোনাগাজী-দাগনভূঞা আসনটি বিএনপি অধ্যুষিত এলাকায় হলেও বর্তমানে ৫ই জুলাই পরবর্তী প্রেক্ষাপট ও ফেনীর ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপকভাবে জামায়াত ইসলাম তাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। অপরদিকে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। বিগত ২০০১ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধ নির্বাচন করলেও এবার আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দল দু’টি। এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের বড় ভোটব্যাংক রয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনে ফলাফলে দারুণভাবে প্রভাব ফেলবে। অপরদিকে, তরুণ ভোটাররা এ নির্বাচনে ভোটের হিসাবনিকাশ পাল্টে দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। আসনটিতে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি এবং তার নির্বাচনী এলাকায় ও তার বিপুল পরিমাণ জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইতিপূর্বে এলাকায় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, মসজিদ নির্মাণসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এ ছাড়াও দানবীর হিসেবে অত্র এলাকায় তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। তিনিসহ তার পরিবার দীর্ঘদিন থেকে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে আসছে। এ ছাড়াও তার ছোট ভাই আকবর হোসেন দাগনভূঞা পৌরসভার দুইবার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত ২টি সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদে ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত আলাদা নির্বাচন করেছিল। সে নির্বাচনে জামায়াত ১১ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছে, আর বিএনপি পেয়েছে ৪৩ হাজার ৪০৩ ভোট তখনো আসনটিতে বিএনপি জয় লাভ করেছিল। অন্যদিকে, ১৯৯৬ সালে এ আসনে জামায়াত ইসলাম পেয়েছে ৮ হাজার ৪০৩ ভোট, আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৪২ হাজার ১৮২ ভোট আর বিএনপি ৫৮ হাজার ৪৩৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপি ও জামায়াত জোটবদ্ধ নির্বাচন করেছিল, সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪২ হাজার ১১২ ভোট আর বিএনপি ও জামায়াত জোট ৯৪ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। একইভাবে ২০০৮ সালেও বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধ হয়ে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৩৩০ ভোট। সবমিলিয়ে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত জোট আসনটিতে জয় লাভ করে আসছিল।
অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোট জামায়াত ইসলাম মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের ফেনীতে ভয়াবহ বন্যার পর থেকে দাগনভূঞা-সোনাগাজী আসনে ব্যাপক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করার মাধ্যমে নিজের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এবং তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অত্র আসনে নির্বাচন করছেন। অন্যদিকে, অত্র আসনে বেশ কিছু কওমি মাদ্রাসা থাকায় ২ উপজেলা ইসলামী আন্দোলনে বেশ কিছু কর্মী ও সমর্থক রয়েছে। এখানে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী হিসেবে সাইফ উদ্দিন শিপন (হাতপাখা) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তা ছাড়া, অত্র আসনে জাতীয় পার্টি ভালো অবস্থানে রয়েছে। বিগত ২০১৮ ও ২০২৪ সালে মহাজোটের শরিক দল হিসেবে জাতীয় পার্টি থেকে (অব.) জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে বেশ উন্নয়নমূলক কাজ করার কারণে তাদেরও একটা অবস্থান রয়েছে। তারা আগামী নির্বাচনে আবু সুফিয়ানকে (লাঙ্গল) প্রতীক দিয়ে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। এ ছাড়াও এই এলাকা সুন্নি অধ্যুষিত হওয়ার বৃহত্তর সুন্নি জোট মনোনীত প্রার্থী আবু নাছের ও (চেয়ার) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এবার এই আসনে তরুণ ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৫ জন। সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে এই তরুণ ভোটাররা নির্বাচনে ফলাফল পরিবর্তনের মূল কারণ হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়াও সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন এ আসনে হয়েছে যাহার পরিমাণ ১৬ হাজার ৩৮টি। অধিক প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় ভোট নিয়ে প্রবাসী ভোটারদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু (ধানের শীষ) ছাড়াও ১১ দলীয় জোট জামায়াত ইসলাম সমর্থিত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক (দাঁড়িপাল্লা), বৃহত্তর সুন্নি জোট মনোনীত প্রার্থী আবু নাছের (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলন মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো. সাইফ উদ্দিন (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লব মনোনীত প্রার্থী মো. হাসান আহমদ (আপেল), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী (বট গাছ), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত প্রার্থী আবদুল মালেক মনছুর (মই) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।