ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

রমজানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খাদ্য সরবরাহ নিয়ে অভিযোগ

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদামতো খাদ্য পাচ্ছেন না শরণার্থীরা -কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পবিত্র রমজান মাসে খাদ্য সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে। ক্যাম্পে বসবাসরত অনেক রোহিঙ্গার দাবি, জাতিসংঘের মাধ্যমে খাদ্য সংগ্রহের সুযোগ থাকলেও তারা নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পাচ্ছেন না।ক্যাম্পে বসবাসরত কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, কিছু ব্যবসায়ী ও তথাকথিত “সিম কার্ড ব্যবসায়ী” তাদের ইচ্ছামতো বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করছেন। এতে অনেক সময় প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর পরিবর্তে এমন পণ্য দেওয়া হয়, যা তাদের দৈনন্দিন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।তাদের অভিযোগ, ক্যাম্পের ভেতরে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ ও আদান-প্রদানের সময় বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করেন। কখনও কখনও টানাটানি ও হয়রানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা।
রোহিঙ্গাদের আরও অভিযোগ, খাদ্যসামগ্রীর তালিকায় প্রায়ই ফার্মের মুরগি ও পাঙ্গাস মাছের মতো নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বেশি দেওয়া হয়, যা অনেক সময় তাদের প্রয়োজনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা বলেন, ক্যাম্পবাসীদের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনায় রেখে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হলে এ ধরনের সমস্যার সমাধান সম্ভব।এদিকে রোহিঙ্গাদের একটি অংশের মতামত, ক্যাম্পে পণ্য সরবরাহের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থাপনায় সময় সময় পরিবর্তন আনা হলে স্বচ্ছতা বাড়তে পারে এবং অনিয়ম কমানো সম্ভব।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পবিত্র রমজান মাসে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রমজানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খাদ্য সরবরাহ নিয়ে অভিযোগ

আপডেট সময় :

সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদামতো খাদ্য পাচ্ছেন না শরণার্থীরা -কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পবিত্র রমজান মাসে খাদ্য সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে। ক্যাম্পে বসবাসরত অনেক রোহিঙ্গার দাবি, জাতিসংঘের মাধ্যমে খাদ্য সংগ্রহের সুযোগ থাকলেও তারা নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পাচ্ছেন না।ক্যাম্পে বসবাসরত কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, কিছু ব্যবসায়ী ও তথাকথিত “সিম কার্ড ব্যবসায়ী” তাদের ইচ্ছামতো বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করছেন। এতে অনেক সময় প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর পরিবর্তে এমন পণ্য দেওয়া হয়, যা তাদের দৈনন্দিন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।তাদের অভিযোগ, ক্যাম্পের ভেতরে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ ও আদান-প্রদানের সময় বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করেন। কখনও কখনও টানাটানি ও হয়রানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা।
রোহিঙ্গাদের আরও অভিযোগ, খাদ্যসামগ্রীর তালিকায় প্রায়ই ফার্মের মুরগি ও পাঙ্গাস মাছের মতো নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বেশি দেওয়া হয়, যা অনেক সময় তাদের প্রয়োজনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা বলেন, ক্যাম্পবাসীদের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনায় রেখে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হলে এ ধরনের সমস্যার সমাধান সম্ভব।এদিকে রোহিঙ্গাদের একটি অংশের মতামত, ক্যাম্পে পণ্য সরবরাহের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থাপনায় সময় সময় পরিবর্তন আনা হলে স্বচ্ছতা বাড়তে পারে এবং অনিয়ম কমানো সম্ভব।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পবিত্র রমজান মাসে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।