শ্রীপুরে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ৯ বার পড়া হয়েছে
রাজবাড়ীর পৌরসভার শ্রীপুর এলাকায় জমি দখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফিরোজ আহমেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর এলাকায় পলাশ পাম্পের পেছনে বিরোধপূর্ণ জমিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে ফিরোজ আহমেদ দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জমিসংক্রান্ত মামলাগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করার পর তাঁর চাচা ও ফুফুরা ২০২০ সালে একটি হেবা দলিলের মাধ্যমে তাঁকে পাঁচ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। পরে তিনি সেখান থেকে তিন শতাংশ জমি রিপা নামে এক আত্মীয়কে দেন।
তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে একই জমি একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি ও বায়না করা হয়। এতে মালিকানা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দাবি, একই জমি নিয়ে করা একাধিক দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
ফিরোজ আহমেদ আরও অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার পর তাঁকে অপহরণ করে প্রায় ১২০ দিন একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়। এ ঘটনার জন্য তিনি প্রতিপক্ষকে দায়ী করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। জমির প্রকৃত সীমানার বাইরে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগও তোলেন তিনি।
তিনি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত এবং মিথ্যা মামলা থেকে পরিত্রাণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক, লোকমান হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) একই জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন করেন মো. রাকিবুল হাসান। সেখানে তিনি বৈধভাবে জমি কেনার পরও প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টা করছে, হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। তবে বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ আহমেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। তিনি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাবেক জমির মালিক শুকুর মোল্লা জানান, তিনি জমিটি আক্তারুজ্জামানের কাছে বিক্রি করেছিলেন।
















