ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

সেচ–চ্যালেঞ্জ জয় করে নবীনগরে গম চাষে উজ্জ্বল ফলন

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সেচ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের অনেক ইউনিয়নে আগের বছরগুলোতে জমি অনাবাদি থাকত বা বোরো আবাদ কম হতো। তবে চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং কৃষকদের অংশগ্রহণে গম চাষে বড় ধরণের উন্নতি এসেছে।
শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া ও জিনদপুর ইউনিয়নে নতুন করে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে গম আবাদ হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় মোট ৪০৫ হেক্টর জমিতে গম চাষ হচ্ছে। শাহপুর ও রতনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গমের আবাদ হয়েছে। একটি মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে চাষ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, “সেচ–সংকট থাকা সত্ত্বেও আমরা সময়মতো পরামর্শ, বিকল্প ব্যবস্থা এবং মাঠ পর্যায়ের তদারকির মাধ্যমে নতুন জমি আবাদে আনতে পেরেছি। কৃষকরাও এখন গম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “উচ্চফলনশীল এবং রোগ সহনশীল জাত হিসেবে বারি গম ৩৩ এবং WMRI-২ ভালো ফলন দিচ্ছে। আগামী মৌসুমে উন্নত জাত সম্প্রসারণের জন্য বড়িকান্দি, রতনপুর, ইব্রাহিমপুর ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪ টন বীজ সংরক্ষণ করা হবে।”
কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, গম চাষের সম্প্রসারণ কৃষকের আয় বাড়াবে এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সেচ–চ্যালেঞ্জ জয় করে নবীনগরে গম চাষে উজ্জ্বল ফলন

আপডেট সময় :

সেচ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের অনেক ইউনিয়নে আগের বছরগুলোতে জমি অনাবাদি থাকত বা বোরো আবাদ কম হতো। তবে চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং কৃষকদের অংশগ্রহণে গম চাষে বড় ধরণের উন্নতি এসেছে।
শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া ও জিনদপুর ইউনিয়নে নতুন করে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে গম আবাদ হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় মোট ৪০৫ হেক্টর জমিতে গম চাষ হচ্ছে। শাহপুর ও রতনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গমের আবাদ হয়েছে। একটি মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে চাষ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, “সেচ–সংকট থাকা সত্ত্বেও আমরা সময়মতো পরামর্শ, বিকল্প ব্যবস্থা এবং মাঠ পর্যায়ের তদারকির মাধ্যমে নতুন জমি আবাদে আনতে পেরেছি। কৃষকরাও এখন গম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “উচ্চফলনশীল এবং রোগ সহনশীল জাত হিসেবে বারি গম ৩৩ এবং WMRI-২ ভালো ফলন দিচ্ছে। আগামী মৌসুমে উন্নত জাত সম্প্রসারণের জন্য বড়িকান্দি, রতনপুর, ইব্রাহিমপুর ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪ টন বীজ সংরক্ষণ করা হবে।”
কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, গম চাষের সম্প্রসারণ কৃষকের আয় বাড়াবে এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করবে।