ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে ইয়াছিন-মুন্না Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে Logo নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের খতিবের মৃত্যু Logo নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছালো Logo নোয়াখালীতে সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ

সেচ–চ্যালেঞ্জ জয় করে নবীনগরে গম চাষে উজ্জ্বল ফলন

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২০০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সেচ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের অনেক ইউনিয়নে আগের বছরগুলোতে জমি অনাবাদি থাকত বা বোরো আবাদ কম হতো। তবে চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং কৃষকদের অংশগ্রহণে গম চাষে বড় ধরণের উন্নতি এসেছে।
শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া ও জিনদপুর ইউনিয়নে নতুন করে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে গম আবাদ হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় মোট ৪০৫ হেক্টর জমিতে গম চাষ হচ্ছে। শাহপুর ও রতনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গমের আবাদ হয়েছে। একটি মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে চাষ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, “সেচ–সংকট থাকা সত্ত্বেও আমরা সময়মতো পরামর্শ, বিকল্প ব্যবস্থা এবং মাঠ পর্যায়ের তদারকির মাধ্যমে নতুন জমি আবাদে আনতে পেরেছি। কৃষকরাও এখন গম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “উচ্চফলনশীল এবং রোগ সহনশীল জাত হিসেবে বারি গম ৩৩ এবং WMRI-২ ভালো ফলন দিচ্ছে। আগামী মৌসুমে উন্নত জাত সম্প্রসারণের জন্য বড়িকান্দি, রতনপুর, ইব্রাহিমপুর ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪ টন বীজ সংরক্ষণ করা হবে।”
কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, গম চাষের সম্প্রসারণ কৃষকের আয় বাড়াবে এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সেচ–চ্যালেঞ্জ জয় করে নবীনগরে গম চাষে উজ্জ্বল ফলন

আপডেট সময় :

সেচ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের অনেক ইউনিয়নে আগের বছরগুলোতে জমি অনাবাদি থাকত বা বোরো আবাদ কম হতো। তবে চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং কৃষকদের অংশগ্রহণে গম চাষে বড় ধরণের উন্নতি এসেছে।
শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া ও জিনদপুর ইউনিয়নে নতুন করে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে গম আবাদ হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় মোট ৪০৫ হেক্টর জমিতে গম চাষ হচ্ছে। শাহপুর ও রতনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গমের আবাদ হয়েছে। একটি মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে চাষ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, “সেচ–সংকট থাকা সত্ত্বেও আমরা সময়মতো পরামর্শ, বিকল্প ব্যবস্থা এবং মাঠ পর্যায়ের তদারকির মাধ্যমে নতুন জমি আবাদে আনতে পেরেছি। কৃষকরাও এখন গম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “উচ্চফলনশীল এবং রোগ সহনশীল জাত হিসেবে বারি গম ৩৩ এবং WMRI-২ ভালো ফলন দিচ্ছে। আগামী মৌসুমে উন্নত জাত সম্প্রসারণের জন্য বড়িকান্দি, রতনপুর, ইব্রাহিমপুর ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪ টন বীজ সংরক্ষণ করা হবে।”
কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, গম চাষের সম্প্রসারণ কৃষকের আয় বাড়াবে এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করবে।