সোহাগ হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে ঈশ্বরদীতে থানা ঘেরাও
- আপডেট সময় : ৩৬ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচীব ও উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের অন্যতম নেতা ইমরান হোসেন সোহাগকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও আওয়ামী নেতাকর্মীদের বাড়ি থেকে পুলিশ পাহাড়া বন্ধের দাবিতে থানা ঘেরাও কর্মসূচী পালন করেছে ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। গতকাল শনিবার ঈশ্বরদী থানা ফটকে এ কর্মসূচী পালন করেন তারা, অন্দোলন কারীরা থানা ফটক অবরোধ করে সোহাগের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে প্রতিবাদী নানা স্লোগানে উত্তাল করে তোলে থানা। এসময় থানার ফটক বন্ধ করে আন্দোলন করায় থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়। পরে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সোহাগের হত্যার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থার আশ্বস্থ করার প্রেক্ষিতে আপাতত আন্দোলন প্রত্যাহার করে থানা ফটক ছেড়ে দেয় আন্দোলন কারীরা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী পৌর ছাত্রদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান, ঈশ্বরদী কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম শাওন , ছাত্রদল নেতা রিশাদ সহ ছাত্রদলে উপজেলা, পৌর, কলেজ ও ইউনিয়ন শাখার সদস্যরা। উল্লেখ্য,গত ২রা এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ ঘটিকায় পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলা ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ (২৮) কে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দূবৃত্তরা। নিহত সোহাগ উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর মহান্নবী পাড়া এলাকার ঈমান কসাইয়ের ছেলে এবং ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি ছিলেন।ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্কুল পাড়া এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে বসেন সোহাগ। পরে রাত সাড়ে ১০ ঘটিকার দিকে মোটর সাইকেল যোগে মুখ বাধা অবস্থায় ৮/১০ জন স্কুল পাড়া এলাকায় আসেন এবং স্থানীয় দোকান পাট বন্ধ করতে বলেন। মুখ বাধা অবস্থায় অচেনা মানুষ এলাকায় দেখে সোহাগ কার্যালয় ছেড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে দূবৃত্তরা তাকে লক্ষ করে ধাওয়া দেয়। এসময় ধানের ক্ষেত দিয়ে দৌঁড়ে পালানোর সময় সোহাগ ধান ক্ষেতে পরে গেলে দূর্বৃত্তরা তার মাথায় ভারী অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে গুলি ও পরে কুপিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে দ্রুত পালিয়ে যায়।


















