ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে আল্টিমেটাম

হাইকমান্ডকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিলেন জানে আলম খোকা

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার শেরপুরের বহিস্কৃত সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র জানে আলম খোকা তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আবারও সরব হয়েছেন। তিনি বিএনপির হাই কমান্ডকে আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
আজ রোববার এক সভায় তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে দেশের অধিকাংশ স্থানে বিএনপির পার্টি অফিস বন্ধ থাকলেও শেরপুরে কখনও অফিসের তালা ঝোলেনি। দলের সব আন্দোলন–সংগ্রাম, কর্মসূচি ও নির্দেশনা শেরপুরে পালন করা হয়েছে তার নেতৃত্বে।
জানে আলম খোকা আরও বলেন, “আমি প্রকাশ্যে জনসভায় দলের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছি। দেশের বহু নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলেও আমার ক্ষেত্রে ভিন্নতা কেন? যারা অতীতে আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করেছিল, তারাই এখন দলের নেতৃত্বে আছে। এ বৈষম্য অব্যাহত থাকলে শেরপুর–ধুনট বিএনপি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই বাস্তবায়ন করা হবে।”
তিনি দাবি করেন, দলকে শক্তিশালী করতে তিনি সবসময় মাঠে ছিলেন এবং তার নেতৃত্বেই শেরপুরে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো অটুট ছিল। তাই তার বিরুদ্ধে আরোপিত শাস্তি অবিচার বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় অন্যান্য নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান মিলন, কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম পান্না, প্রবীণ বিএনপি নেতা মতিয়ার রহমান মতিনসহ আরও অনেকে।
এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যেও আলোচনা–সমালোচনা চলছে। আগামী ৪ ডিসেম্বরের পর জানে আলম খোকার অবস্থান কী হবে, এবং শেরপুর–ধুনট বিএনপি কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে আল্টিমেটাম

হাইকমান্ডকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিলেন জানে আলম খোকা

আপডেট সময় :

বগুড়ার শেরপুরের বহিস্কৃত সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র জানে আলম খোকা তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আবারও সরব হয়েছেন। তিনি বিএনপির হাই কমান্ডকে আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
আজ রোববার এক সভায় তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে দেশের অধিকাংশ স্থানে বিএনপির পার্টি অফিস বন্ধ থাকলেও শেরপুরে কখনও অফিসের তালা ঝোলেনি। দলের সব আন্দোলন–সংগ্রাম, কর্মসূচি ও নির্দেশনা শেরপুরে পালন করা হয়েছে তার নেতৃত্বে।
জানে আলম খোকা আরও বলেন, “আমি প্রকাশ্যে জনসভায় দলের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছি। দেশের বহু নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলেও আমার ক্ষেত্রে ভিন্নতা কেন? যারা অতীতে আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করেছিল, তারাই এখন দলের নেতৃত্বে আছে। এ বৈষম্য অব্যাহত থাকলে শেরপুর–ধুনট বিএনপি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই বাস্তবায়ন করা হবে।”
তিনি দাবি করেন, দলকে শক্তিশালী করতে তিনি সবসময় মাঠে ছিলেন এবং তার নেতৃত্বেই শেরপুরে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো অটুট ছিল। তাই তার বিরুদ্ধে আরোপিত শাস্তি অবিচার বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় অন্যান্য নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান মিলন, কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম পান্না, প্রবীণ বিএনপি নেতা মতিয়ার রহমান মতিনসহ আরও অনেকে।
এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যেও আলোচনা–সমালোচনা চলছে। আগামী ৪ ডিসেম্বরের পর জানে আলম খোকার অবস্থান কী হবে, এবং শেরপুর–ধুনট বিএনপি কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।