ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

হাড়কাঁপানো তীব্র শীতে জুবুথুবু জনজীবন

হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৯৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তরের জেলা দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী উপজেলা হাকিমপুরের হিলিতে টানা কনকনে শীতের দাপট আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। ঘন কুয়াশা, হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা হিমেল বাতাসে কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন জুবুথুবু হয়ে পড়েছে।
রোববারও ভোর রাত থেকেই ঘন কুয়াশায় সড়ক, মাঠঘাট আচ্ছন্ন করে রাখে। টানা শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, শিশু ও বয়স্করা। হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা হিমেল বাতাসে জনজীবন জুবুথুবু হয়ে পড়েছে। শীত থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। খেটে খাওয়া মানুষদের দৈনন্দিন কাজে বিঘ্ন ঘটছে। শীতল বাতাসের সঙ্গে কুয়াশার প্রভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
অটোরিকশা চালক শাওন জানান, শীতের তীব্রতা এতো বেশি যে ঘর থেকে বের হতে মন না চাইলেও পেট তো মানেনা। দিন আনি দিন খায়। আবার কিস্তি টাকা জোগাড় করতে হবে। কিন্তু বাহিরে লোকজন কম তাই ইনকামও কমে গেছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, আজ সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আদ্রতা ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলেছে। কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে সকালবেলায় সড়কে যানবাহন চলাচল ধীরগতিতে চলে এবং অনেক স্থানে দৃশ্যমানতা কমে যায়।
পরে সকাল ৯টায় আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়, আজকের চূড়ান্ত (ফাইনাল) সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই স্থির রয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হাড়কাঁপানো তীব্র শীতে জুবুথুবু জনজীবন

আপডেট সময় :

উত্তরের জেলা দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী উপজেলা হাকিমপুরের হিলিতে টানা কনকনে শীতের দাপট আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। ঘন কুয়াশা, হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা হিমেল বাতাসে কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন জুবুথুবু হয়ে পড়েছে।
রোববারও ভোর রাত থেকেই ঘন কুয়াশায় সড়ক, মাঠঘাট আচ্ছন্ন করে রাখে। টানা শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, শিশু ও বয়স্করা। হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা হিমেল বাতাসে জনজীবন জুবুথুবু হয়ে পড়েছে। শীত থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। খেটে খাওয়া মানুষদের দৈনন্দিন কাজে বিঘ্ন ঘটছে। শীতল বাতাসের সঙ্গে কুয়াশার প্রভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
অটোরিকশা চালক শাওন জানান, শীতের তীব্রতা এতো বেশি যে ঘর থেকে বের হতে মন না চাইলেও পেট তো মানেনা। দিন আনি দিন খায়। আবার কিস্তি টাকা জোগাড় করতে হবে। কিন্তু বাহিরে লোকজন কম তাই ইনকামও কমে গেছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, আজ সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আদ্রতা ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলেছে। কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে সকালবেলায় সড়কে যানবাহন চলাচল ধীরগতিতে চলে এবং অনেক স্থানে দৃশ্যমানতা কমে যায়।
পরে সকাল ৯টায় আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়, আজকের চূড়ান্ত (ফাইনাল) সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই স্থির রয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।