ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

হাতিয়ায় তরমুজ খেতে গণধর্ষণের অভিযোগ

নোয়াখালী ব্যুরোপ্রধান
  • আপডেট সময় : ১৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর হাতিয়া থানায় দায়ের করা একটি গণধর্ষণ মামলার আসামি মো. ফয়সাল ওরফে রিয়াজ (৪২) কে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
গত রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ও র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন রাহাত্তারপুল এলাকায় ফেস্টিভ্যাল জোন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
র‌্যাব জানায়, তিনি হাতিয়া থানার একটি বহুল আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গত ১০ মার্চ রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে একটি তরমুজ খেতের টং ঘরে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করলে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব-১১ সিপিপি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বাকলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হাতিয়ায় তরমুজ খেতে গণধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর হাতিয়া থানায় দায়ের করা একটি গণধর্ষণ মামলার আসামি মো. ফয়সাল ওরফে রিয়াজ (৪২) কে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
গত রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ও র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন রাহাত্তারপুল এলাকায় ফেস্টিভ্যাল জোন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
র‌্যাব জানায়, তিনি হাতিয়া থানার একটি বহুল আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গত ১০ মার্চ রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে একটি তরমুজ খেতের টং ঘরে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করলে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব-১১ সিপিপি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বাকলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।