ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালটসহ ভোটের উপকরণ Logo সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে আনসার-ভিডিপি Logo নির্বাচনী মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম Logo কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে, আহত-৭ Logo শাল্লায় জালিয়াতি করে জলমহাল দখল চেষ্টার অভিযোগ Logo বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী Logo মাগুরায় দুই আসনে ৭ দলের ১১ প্রার্থী Logo ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে Logo ‘এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই’ Logo পেঁয়াজের সাদা ফুলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

৬০০ টাকা করে দিনে ৫ হাজার কেজি গরুর মাংস বিক্রি করা হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৬৪৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রমজানে আমিষের ঘাটতি পূরণে ৬০০ টাকা কেজিতে প্রতিদিন ৫ হাজার কেজি গরুর মাংস বিক্রি করা হবে। ঢাকায় ৩০টি স্থানে ট্রাকে করে কম দামে গরুর মংসের পাশাপাশি মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করবে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়।

রোববার (১০ মর্চ) সকালে ফার্মগেটের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে রমজান উপলক্ষ্যে কম দামে মাংস, ডিম ও দুধ বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা জানালেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রহমান।

মন্ত্রী জানান, ৬০০ টাকা কেজিতে গরুর মাংস, ৯০০ টাকা কেজিতে খাসির মাংস, ব্রয়লার মুরগি (ড্রেসড) ২৫০ টাকা, দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম সাড়ে ১০ টাকায় বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন কম দামে রাজধানীতে ৫ হাজার কেজি গরুর মাংস বিক্রির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত বছরের শেষের দিকে গরুর মাংসের দাম কমে কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়। কোনো কোনো জায়গায় আবার ৫৫০ টাকায়ও বিক্রি হয় গরুর মাংস। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে নির্বাচনের পরই আবারও তা বাড়তে থাকে। বর্তমানে ঢাকার বাজারে গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে, নতুনবাজার (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), খামারবাড়ী (ফার্মগেট), আজিমপুর মাতৃসদন (আজিমপুর), গাবতলী, দিয়াবাড়ী (উত্তরা), জাপান গার্ডেন সিটি (মোহাম্মদপুর), ষাটফুট রোড (মিরপুর), খিলগাঁও (রেল ক্রসিংয়ের দক্ষিণে), সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), সেগুনবাগিচা (কাঁচাবাজার), আরামবাগ (মতিঝিল), রামপুরা, কালসী (মিরপুর), যাত্রাবাড়ী (মানিকনগর গলির মুখে), বসিলা (মোহাম্মদপুর), হাজারীবাগ, লুকাস (নাখালপাড়া), আরামবাগ (মতিঝিল), কামরাঙ্গীর চর, মিরপুর ১০, কল্যাণপুর (ঝিলপাড়া), তেজগাঁও, পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার) কাকরাইল।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ৩৮ কর্মকর্তা ১০টি টিম পুরো কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব পালন করবেন।

আমিষ মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান। এটি দেহকলার গাঠনিক উপাদানগুলোর একটি এবং জ্বালানির উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৬০০ টাকা করে দিনে ৫ হাজার কেজি গরুর মাংস বিক্রি করা হবে

আপডেট সময় :

 

রমজানে আমিষের ঘাটতি পূরণে ৬০০ টাকা কেজিতে প্রতিদিন ৫ হাজার কেজি গরুর মাংস বিক্রি করা হবে। ঢাকায় ৩০টি স্থানে ট্রাকে করে কম দামে গরুর মংসের পাশাপাশি মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করবে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়।

রোববার (১০ মর্চ) সকালে ফার্মগেটের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে রমজান উপলক্ষ্যে কম দামে মাংস, ডিম ও দুধ বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা জানালেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রহমান।

মন্ত্রী জানান, ৬০০ টাকা কেজিতে গরুর মাংস, ৯০০ টাকা কেজিতে খাসির মাংস, ব্রয়লার মুরগি (ড্রেসড) ২৫০ টাকা, দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম সাড়ে ১০ টাকায় বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন কম দামে রাজধানীতে ৫ হাজার কেজি গরুর মাংস বিক্রির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত বছরের শেষের দিকে গরুর মাংসের দাম কমে কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়। কোনো কোনো জায়গায় আবার ৫৫০ টাকায়ও বিক্রি হয় গরুর মাংস। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে নির্বাচনের পরই আবারও তা বাড়তে থাকে। বর্তমানে ঢাকার বাজারে গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে, নতুনবাজার (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), খামারবাড়ী (ফার্মগেট), আজিমপুর মাতৃসদন (আজিমপুর), গাবতলী, দিয়াবাড়ী (উত্তরা), জাপান গার্ডেন সিটি (মোহাম্মদপুর), ষাটফুট রোড (মিরপুর), খিলগাঁও (রেল ক্রসিংয়ের দক্ষিণে), সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), সেগুনবাগিচা (কাঁচাবাজার), আরামবাগ (মতিঝিল), রামপুরা, কালসী (মিরপুর), যাত্রাবাড়ী (মানিকনগর গলির মুখে), বসিলা (মোহাম্মদপুর), হাজারীবাগ, লুকাস (নাখালপাড়া), আরামবাগ (মতিঝিল), কামরাঙ্গীর চর, মিরপুর ১০, কল্যাণপুর (ঝিলপাড়া), তেজগাঁও, পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার) কাকরাইল।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ৩৮ কর্মকর্তা ১০টি টিম পুরো কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব পালন করবেন।

আমিষ মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান। এটি দেহকলার গাঠনিক উপাদানগুলোর একটি এবং জ্বালানির উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে।