মান্দায় সাংবাদিক তুহিন হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ১৮৭ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় নির্মমভাবে নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নওগাঁর মান্দা উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
আজ রোববার সকাল ১০টায় উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকদের উদ্যোগে প্রসাদপুর বাজার তিন মাথার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হাতে প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে সাংবাদিকরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে নীরব ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মান্দা আইডিয়াল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক রেজাউল ইসলাম, মান্দা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বুলবুল আহমেদ, সহ-সভাপতি, আপেল মাহমুদ, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সম্রাট আব্দুল মজিদ, আইডিয়াল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম আকরাম, মান্দা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান আলী, সদস্য সাফিউল ইসলাম রকি, মান্দার আইডিয়াল প্রেস ক্লাবের
সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ মান্দা শাখার বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের , সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল করিম সবুজ, সদস্য মো. ওয়াসিম রাজু, মো. আবুল কাশেম আকাশ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করেন, তারা কারও শত্রু নন। তারপরও যদি বিনা কারণে সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়, তা গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি। আমরা চাই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধের সাহস না পায়।
উল্লেখ্য, নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন ২০০৫ সাল থেকে পরিবার নিয়ে গাজীপুরের চান্দনা এলাকায় বসবাস করছিলেন। সেখানে একটি ক্লিনিক পরিচালনার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি সক্রিয়ভাবে সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। গত সপ্তাহে সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনি নিহত হন, যা দেশের সাংবাদিক সমাজকে গভীরভাবে ক্ষুব্ধ ও শোকাহত করেছে।
মানববন্ধন শেষে তিনমাথা মোড় থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
সাংবাদিক সমাজের নেতারা জানান, একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা মানে সমগ্র সাংবাদিকতার ওপর আঘাত। তাই এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দেশের সব সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়—যেন সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হত্যাকারীদের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করা হয়, যাতে আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকরা ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারেন।

















