পলাতক নেতার ভবন রক্ষায় মরিয়া কিছু নামধারী সাংবাদিক
অবশেষে ফেনী পৌর প্রশাসনের আওয়ামী প্রীতিতে পাল্টে গেল ড্রেনের মাষ্টার প্ল্যান
- আপডেট সময় : ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
পতিত স্বৈরাচারী আওয়ামী প্রীতিতে পাল্টে গেল পৌর মাষ্টার প্লান । ফেনী পৌরসভাধীন সড়ক ও জনপথ বিভাগের ফেনী শহরের উপকন্ঠের ফেনী ট্রাংক রোডের সরকারী ভুমি অর্বেধ দখলদারিত্বে থাকা এবং বিগত সরকারের আমলে উক্ত সরকারি ভুমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানকারী ফ্যাসীবাদী সরকারের রাতের ভোটের নির্বাচিত ছাগলনাইয়া উপজেলারর সাবেক চেয়ারম্যান ও ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সন্পাদক মেজবাহউল হায়দার সোহেল চৌধুরীর ভবন রক্ষায় ফেনী পৌর কতৃপক্ষের অভিনব কৌশলে ফেনী পৌরবাসী হতভন্ব ।
সরেজমিনের অনুসন্ধানে জানা যায় য়ে , বিগত সরকারের আমলের ফেনী পৌরসভা প্রস্তাবিত এবং বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক প্রনোদনায় নির্মিত ফেনী শহরের বৃষ্টির পানিতে জলবদ্ধতা নিরসন পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের ” কোভিট প্রকল্পে ” এই প্রকল্পের আওতায় এবং দাতা সংস্হা বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে শহরের জন গুরুত্বপূর্ণ ড্রেন সমুহের নির্মাণ কার্য শুরু পরে ফেনী পৌরসভা । সেই আলোকেগত কয়েকদিন পুর্ব হতে শহরের রেড ক্রিসেন্টের সন্মুখ হতে ফেনী কুমিল্লা বাস স্টান্ড এলাকার পশ্চিম পাশস্হ নির্মিতব্য জমজম টাওয়ার টাওয়ার পযন্ত প্রস্হে ৪’ ফুট লন্বিতে ৪৩০ মিটার প্রকল্প ব্যায় প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যায়ে ঢাকা চট্টগ্রামে পুরাতন হাইওয়ে হলে ফেনী ট্রাংক রোডের পশ্চিম পাশ্বস্হ ড্রেনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দ্যা নিউ ট্রেড লিংক পরিচালনায় শুরু হলেও।সরকারী ভুমিতে অবৈধভাবে দখলদারিত্বে গড়ে তোলা স্হাপনা এবং ভবনের দখলে থাকা সরকারী ভুমি উদ্ধারে সেখানে গড়ে তোলা দোকানপাট ভেঙ্গে ড্রেনটির কাজ চালু করা হলে ফেনী পৌরসভার কর্মকান্ডে যখন জনমনে প্রশান্তির ছায়া দেখা গেলে এবং অবৈধ দখলদারত্বের কবল থেকে সরকারী ভুমি উদ্বারের করে রোড প্রশসৃহকরনে ড্রেন নির্মানকে জনতা সাধুবাদ জানায় । কিন্ত বাস্তবতা এই ড্রেন নির্মান কাজটি যখন সফলতার সহিত সঠিক কর্মতৎপরতায় এগিয়ে চলছিলো এবং সামনের দিকে এগিয়ে চলছিল । তখন পুরাতন রেজেষ্টি অফিস বরাবর পুর্বপাশ্ব পযন্ত কাজটি অদৃশ্য কালো হাতের রক্ত চক্ষু রাঙ্গানীতে বন্ধ হয়ে পড়ে ড্রেন নির্মান কর্মকান্ড । এবং ফেনী পৌরসভা কাউকে বিশেষ সুবিধা প্রদানে মাষ্টার প্লান সংশোধন করে নতুন নস্কা প্রনয়নের মাধ্যমে ড্রেনকে আকাঁ বাঁকা করে সরকারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের খাস ভুমি অবৈধ দখলদারের কাছে ছেড়ে দিয়ে কাজ এগুতে চাইলে জনগনের অভিযোগে ড্রেন নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে যায় । এবং এই সরকারী জায়হ্গা অবৈধ দখলদারিত্বে ছেড়ে দিতে জোর লবিং চালায় পৌর প্রশাসক ও নির্বাহি প্রকোশলী ফেনী পৌরসভাকে জোর পুর্বক বাধ্য করে বিশেষ শুবিধা আদায় করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব আইনজীবী গুটি কয়েক সুবিধাবাদী সাংবাদিক রয়েছে বলে জানা গেছে ।
এই নিশেষ সুবিধা প্রাপ্ত ব্যাক্তি আর কেহ নন ফাসিবাদী পলাতক সরকারের ছাগলনাইয়া উপজেলা সাধারণ সন্পাদক মেজবাহউল হায়দার সোহেল চৌধুরীর নির্মিত সরকারী ভুমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মান কারী ৫ তলা ভবন বাঁচাতে এই প্রশ্নবিদ্ব প্রক্রিয়া । সরকারী ভুমি অবৈধ দখলদার হটিয়ে সরকারের দখলে না এনে এই বিশেষ সুবিধা প্রদানে সমগ্র শহরব্যাপী টক অব সিটি আলোচ্য বিষয় ।
জনমনে প্রশ্ন রেডক্রিসেন্ট হতে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিয়ানে যে ভাবে নান্দনিক ড্রেন নির্মান কার্য এগিয়ে চলছিত সেই কর্ম কেন বন্ধ করে এবং পৌরসভার মাষ্টার প্লান সংশোধন করে সরকারী ভুমি অর্বৈধ দখলদারকে ছেড়ে দিয়ে ড্রেনটিকে আকাঁ বাঁকা করা হলো । তাহলে দক্ষিণাংশ হতে শুরু হওয়া ভাংচুর করে সরকারী ভুমি কেন দখলে নেয়া হল । একসময় বলা হতো রাঘব বোয়ালদের কালো ইশারায় প্লান মাফিক কর্মপন্থা বাধাগ্রস্হ হয় । এখন কার ইশারায় কার বাধার প্রাচীরে এসব অপকর্ম সংঘটিত হচ্ছে । এবং পৌরসভার ড্রেনের এহাল হচ্ছে ।
এপ্রসঙ্গে ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেনের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান যে কয়েকজন সাংবাদিক বড় বাঁধার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে কিন্তু কে সেই সকল সাংবাদিক তাদের নাম উল্লেখ করেন নি ।তিনি আরও জানান মুলত তাদের বাঁধার কারনেই স্বাভাবিক কর্মপরিকল্পনা অস্বাভাবিকতার পর্যায়ে এনে পৌছিয়েছে । এবং তাদের প্রচন্ড বাঁধার কারনে স্বাভাবিক কাজের গতি হারাচ্ছি । এব্যাপারে নাকি হাইকোর্টের একটি মামলা চলমান আছে কিন্তু পৌর প্রশাসক জানিয়েছেন তিন দিনের মধ্যে যদি আমাদের হাইকোর্টের নির্দেশনা সমন্বিত রায় দেখাতে না পারে । তবে আনরা আমাদের নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম চালিয়ে যাব ।
স্হানীয় সরকারের উপ পরিচালক ও ফেনী পৌর প্রশাসক গোলাম বাতেন এই ব্যাপারে জানান , আমরা আমাদের সরকারের নিয়ম নীতি মাফিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই । কিন্তু কর্মক্ষেএে যদি একের পর এক বাঁধার সন্মুখীন হই তাহলে আমাদের অর্জিত লক্ষে পৌছা খুবই দূরহ হয়ে পড়ে । সবচেয়ে বড় বাধা কিছু সাংবাদিক। এদপর প্রচন্ড বাধার কারনে আমরা বিব্রতকর পরিস্থিতির সন্মুখিন। তাদের ভাস্য আমরা য়েন কিছু লোককে বিশেষ সুবিধা প্রদান করি । তারা আমাদের প্লান পরিবর্তনেও বাধয় করেছে ।
এপ্রসঙ্গে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন যেহেতু বিশ্বব্যাংকের অর্থয়নের ফেনী পৌর প্রকল্প সেহেতু আপনাদের সকল জাবা ফেনী পৌর সভাকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন ।
তবে তিনি পরিশেষে জানান স্বল্প সময়ের মধ্যে সড়ক জনপদ বিভাগের খাস জমি মেপে সিমানা নির্ধারন পুর্বক অবৈধ দখলদার মুক্ত করণ প্রক্ষিয়া চলমান থাকবে ।
এপ্রসঙ্গে ফেনী আইনজীবী সমিতি বারের সিনিয়র আইনজীবীদের অভিমত রাসৃতার পশ্চিম পাশ্বের সরকারী সড়ক ও জনপদ বিভাগের খাস ভুমি কোন ইজারাদার নেই হয়তবা কেউ ১ বৎসরপর ইজারা আনলেও কেউ তা পুনরায় নবায়ন করেন নাই । এমনকি এদের কেউ কেউ সরকারী সন্পদ অবৈধ দখলদারিত্বে রেখে দখলসত্বও ৬০/৭০ লক্ষ টাকা দখলস্ত্বে কিভাবে বিক্রয় করে । এমনকি বিগত সরকারের আমলে দলীয় রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে সরকারী খাস ভুমিতপ বহুতল বিশিষ্ট ভবন ও নির্মান করতপ দেখা গেছে ।
তারা সরকারের বেহাত কৃত ভুমি পূর্নউদ্বারের দাবীও জেলা প্রশাসককে জানান ।




















