ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৫৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ইদন মিয়া (৬০) এক কৃষক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত এবং ৪ ব্যক্তি আহত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ বৃহস্পতিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ভোরে নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের মুরাদ নগর গ্রামে। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, ৫ আগস্টের পূর্বে আলোকবালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এড: আসাদউল্লাহ ও আলোকবালী ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দিপু সরকার তাদের দলবল নিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলো এবং বিএনপির লোকদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করতো। আসাদউল্লাহ ও দিপু গ্রুপের অত্যাচারে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতো। ৫ আগস্টের পর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার প্রেতাত্বারা বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়। ঘটনার দিন রাতে আসাদউল্লাহ ও দিপু গ্রুপের লোকেরা একত্রিত হয়ে বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক শাহ আলম চৌধুরী ও বহিস্কৃত সদস্য সচিব কাইয়ুম সরকারের কর্মী ও সমর্থকদের উপর অর্তকিত হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এতে ইদন মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্বভাবে আহত হয়। পরে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আরো ৪ ব্যক্তি আহত হয়।
আহতরা হচ্ছে- মোস্তাকিম (৩০), আবুল মিয়া (৬২), মো: শাহ আলম (৩৮) ও রাকিব মিয়া (৩০)। আহতদেরকে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতাল এবং পরে মুমুর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ইমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অভিযোগ পেলে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নরসিংদীতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১

আপডেট সময় :

এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ইদন মিয়া (৬০) এক কৃষক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত এবং ৪ ব্যক্তি আহত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ বৃহস্পতিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ভোরে নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের মুরাদ নগর গ্রামে। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, ৫ আগস্টের পূর্বে আলোকবালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এড: আসাদউল্লাহ ও আলোকবালী ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দিপু সরকার তাদের দলবল নিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলো এবং বিএনপির লোকদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করতো। আসাদউল্লাহ ও দিপু গ্রুপের অত্যাচারে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতো। ৫ আগস্টের পর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার প্রেতাত্বারা বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়। ঘটনার দিন রাতে আসাদউল্লাহ ও দিপু গ্রুপের লোকেরা একত্রিত হয়ে বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক শাহ আলম চৌধুরী ও বহিস্কৃত সদস্য সচিব কাইয়ুম সরকারের কর্মী ও সমর্থকদের উপর অর্তকিত হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এতে ইদন মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্বভাবে আহত হয়। পরে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আরো ৪ ব্যক্তি আহত হয়।
আহতরা হচ্ছে- মোস্তাকিম (৩০), আবুল মিয়া (৬২), মো: শাহ আলম (৩৮) ও রাকিব মিয়া (৩০)। আহতদেরকে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতাল এবং পরে মুমুর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ইমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অভিযোগ পেলে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।