ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজারামপুর মদীনাতুল উলূম মাদ্রাসা কমপ্লেক্সে বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠিত Logo কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে তেলের লাইনে, খেলনা মোটরসাইকেল Logo প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরাই ত্রাণ সহায়তা পাবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo সীমান্তে আইইডি-মাইন ও দাহ্য রাসায়নিক উদ্ধার Logo হাতিয়ায় ৬৮১৫ লিটার অবৈধ জ্বালানি তেলসহ আটক ৪ Logo কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে অস্ত্রসহ ১০ ডাকাত আটক, জ্বালানি তেল জব্দ Logo কুকুরকে কামড়ে নিলো কুমির, ঘটনা তদন্তে প্রশাসন Logo গোবিন্দগঞ্জে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ১০ Logo গোপালগঞ্জ-২ আসনের এমপিকে উপজেলা পরিষদের সংবর্ধনা Logo কুষ্টিয়ায় আস্তানায় হামলা চালিয়ে ‘পীর’কে পিটিয়ে হত্যা, ভাঙচুর-আগুন

বাংলাদেশি জলসীমা থেকে মাছ শিকারের অপরাধে ১৪ ভারতীয় জেলে আটক

মনির হোসেন, মোংলা
  • আপডেট সময় : ১৮২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশি জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করার অপরাধে ১৪ জেলেসহ “এফবি শুভযাত্রা” নামের একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার আটক করেছে নৌবাহিনী।
১৭ অক্টোবর রাতে ট্রলারসহ জেলেদের আটক করার পর গতকাল শনিবার বিকালে তাদের মোংলা নৌ ঘাটিঁতে আনা হলে সেখানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে রাত সাড়ে ৮টায় জেলেদের মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে নৌবাহিনী।
আটক ভারতীয় জেলেরা হলেন- চন্দ্র দাস, আনন্দ দাস, সদানন্দ দাস, শেখর দাস, সুভাষ দাস, মনি শংকর শিকদার, বিপুল দাস, গৌরঙ্গ দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাস, গৌরাঙ্গ হালদার, গৌতম দাস, বিশ্বজিৎ দাস, সুজন বিশ্বাস ও বিজয় দাস। তাদের সবার বাড়ি কোলকাতার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় বলে জানা গেছে।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ‘এফ,বি শুভযাত্রা’ নামক একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলার আটক করে সমুদ্রসীমায় টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা শহীদ আক্তার উদ্দিন। ট্রলারটিতে ১৪ জন ভারতীয় জেলে রয়েছে।
তারা বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছিল। তাদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ-চব্বিশ পরগোনা জেলার কাকদ্বীপ এলাকায়। আটক ট্রলারটিকে ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মোংলায় নিয়ে আসে নৌবাহিনীর অপর জাহাজ বানৌজা বিষখালী।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্গন ও মৎস্য সম্পদ লুটের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
ভারতীয় ট্রলারে থাকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫৫০ কেজি মাছ রাতে মোংলার ফেরিঘাটে এনে উম্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হবে। মাছ বিক্রির এ অর্থ সরকারের রাজস্বে জমা হবে বলে জানান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.জাহিদুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশি জলসীমা থেকে মাছ শিকারের অপরাধে ১৪ ভারতীয় জেলে আটক

আপডেট সময় :

বাংলাদেশি জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করার অপরাধে ১৪ জেলেসহ “এফবি শুভযাত্রা” নামের একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার আটক করেছে নৌবাহিনী।
১৭ অক্টোবর রাতে ট্রলারসহ জেলেদের আটক করার পর গতকাল শনিবার বিকালে তাদের মোংলা নৌ ঘাটিঁতে আনা হলে সেখানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে রাত সাড়ে ৮টায় জেলেদের মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে নৌবাহিনী।
আটক ভারতীয় জেলেরা হলেন- চন্দ্র দাস, আনন্দ দাস, সদানন্দ দাস, শেখর দাস, সুভাষ দাস, মনি শংকর শিকদার, বিপুল দাস, গৌরঙ্গ দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাস, গৌরাঙ্গ হালদার, গৌতম দাস, বিশ্বজিৎ দাস, সুজন বিশ্বাস ও বিজয় দাস। তাদের সবার বাড়ি কোলকাতার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় বলে জানা গেছে।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ‘এফ,বি শুভযাত্রা’ নামক একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলার আটক করে সমুদ্রসীমায় টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা শহীদ আক্তার উদ্দিন। ট্রলারটিতে ১৪ জন ভারতীয় জেলে রয়েছে।
তারা বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছিল। তাদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ-চব্বিশ পরগোনা জেলার কাকদ্বীপ এলাকায়। আটক ট্রলারটিকে ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মোংলায় নিয়ে আসে নৌবাহিনীর অপর জাহাজ বানৌজা বিষখালী।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্গন ও মৎস্য সম্পদ লুটের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
ভারতীয় ট্রলারে থাকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫৫০ কেজি মাছ রাতে মোংলার ফেরিঘাটে এনে উম্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হবে। মাছ বিক্রির এ অর্থ সরকারের রাজস্বে জমা হবে বলে জানান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.জাহিদুর রহমান।