ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরে অব. সেনা সদস্যকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার হয়রানী

জামালপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুর সদর উপজেলার ইটাইল ইউনিয়নের ইটাইল চৌরাপাড়া গ্রামে প্রাণনাশ, নিজেরা নিজেদেরকে জথম করে, আগুন দিয়ে, এসিড নিক্ষেপ করার হুমকীসহ নানা ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্টের পৈত্রিক জমি জবর-দখল করে রেখেছে পতিত আওয়ামী ছাত্রলীগের ইটাইল ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন। তার পিতার নাম মৃত মোঃ আব্দুল করিম। হয়রানির শিকার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্টের নাম মোঃ আঃ হালিম, তার পিতার নাম: মৃত মোঃ আঃ রশিদ।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ আঃ হালিম এ ব্যাপারে জানান, মোঃ আলমগীর হোসেন আমার পৈত্রিক সম্পত্তিতে ঘর তুলতে গেলে সন্ত্রাসী কায়দায় দেশিয় অস্ত্র শস্ত্র সজ্জিত হয়ে তার মা, ভাই ও বোনদের নিয়ে বাধা দেন এবং আমার নিকট ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি নিজ সম্মান ও প্রাণহানির ভয়ে আমার সিমানার বাউন্ডারী ওয়াল পর্যন্ত নির্মান করতে পারছি না। এই আলমগীর হোসেন পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের সময় আমার ও আমার পরিবারের সকলের নামে মারা-মারির মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিলেন জামালপুর কোর্টে। সেই মামলায় বিজ্ঞ আদালত ঘটনার সত্যতা না পেয়ে মামলার রায় আমাদের পক্ষে দেন। পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের পরিবর্তনের পর সন্ত্রাসী আলমগীর হোসেন বেশ কিছু দিন পলাতক থেকে বর্তমানে এলাকায় ফিরে এসে অদৃশ্য শক্তির যোগসাজসে পুরোন কায়দায় আবার মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলার পায়তারা করছে। বিষয়টি নিয়ে সরজমিন তদন্তপূর্বক তৎকালিন ইটাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এড. মোঃ হাফিজুর রহমান স্বপন, সালিশ মিমাংসার আয়োজন করলে সন্ত্রাসী আলমগীর বিচার অগ্রাহ্য করে তার হয়রানীমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। ঐ সময় উক্ত চেয়ারম্যান তার ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট এর পক্ষে একটি প্রত্যয়ন পত্র দেন। তিনি সেখানে উল্লেখ্য করেন ইউনিয়ন পরিষদের নিজ কক্ষে বসিয়া আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করি। কাগজপত্র পর্যলোচনা করে দেখা যায় যে, অবসর প্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ আঃ হালিমের নিজ তফসিল বর্ণিত ভূমিতে আলমগীর হোসেন জুলুম/তছরুপ করিতেছে। তাহাকে উক্ত জমি ছাড়িয়া দিতে বলিলে সে তালবাহানা করিতেছে।
বিষয়টি নিয়ে এই প্রতিবেদক সরেজমিন খোজ খবর নিতে এলাকায় গেলে এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লোকজন জানান, মোঃ আলমগীর হোসেন ফ্যাসিবাদী আওয়ামী ছাত্রলীগের ওয়ার্ড শাখার সভাপতি হিসেবে এলাকায় জোর জুলুম, দখল চাঁদাবাজী সহ নানা ধরনের অপরাধের সথে জড়িত ছিলেন। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর বেশ কিছু দিন এলাকা থেকে পলাতক থাকলেও ইদানিং এলাকায় এসে আগের চেয়ে বেশি মিথ্যা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে অবসর প্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট আঃ হালিমকে হয়রানি করছেন। অপর দিকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট একজন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, শান্তিপ্রিয়, নিরিহ ও পরহেজগার মানুষ। তিনি ব্যবসা ও মেয়েদের পড়া লেখার প্রয়োজনে জামালপুরে থাকেন। আমরা এলাকাবাসী এই দুই পরিবারের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এটাই কামনা করি। কিন্তু ফ্যাসিবাদী ছাত্রলীগ নেতা অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ আঃ হালিমের পরিবারকে নানা ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার পায়তারা করছে। প্রশাসনের নিকট এই ফ্যাসিবাদী ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আলমগীর হোসেনের অপকর্ম রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানাই।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত আলগীরের সাথে দেখা করতে চাইলে তিনি জানান, আমি বর্তমানে বাইরে আছি। মোবাইল ফোনে তিনি জানান আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জামালপুরে অব. সেনা সদস্যকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার হয়রানী

আপডেট সময় :

জামালপুর সদর উপজেলার ইটাইল ইউনিয়নের ইটাইল চৌরাপাড়া গ্রামে প্রাণনাশ, নিজেরা নিজেদেরকে জথম করে, আগুন দিয়ে, এসিড নিক্ষেপ করার হুমকীসহ নানা ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্টের পৈত্রিক জমি জবর-দখল করে রেখেছে পতিত আওয়ামী ছাত্রলীগের ইটাইল ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন। তার পিতার নাম মৃত মোঃ আব্দুল করিম। হয়রানির শিকার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্টের নাম মোঃ আঃ হালিম, তার পিতার নাম: মৃত মোঃ আঃ রশিদ।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ আঃ হালিম এ ব্যাপারে জানান, মোঃ আলমগীর হোসেন আমার পৈত্রিক সম্পত্তিতে ঘর তুলতে গেলে সন্ত্রাসী কায়দায় দেশিয় অস্ত্র শস্ত্র সজ্জিত হয়ে তার মা, ভাই ও বোনদের নিয়ে বাধা দেন এবং আমার নিকট ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি নিজ সম্মান ও প্রাণহানির ভয়ে আমার সিমানার বাউন্ডারী ওয়াল পর্যন্ত নির্মান করতে পারছি না। এই আলমগীর হোসেন পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের সময় আমার ও আমার পরিবারের সকলের নামে মারা-মারির মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিলেন জামালপুর কোর্টে। সেই মামলায় বিজ্ঞ আদালত ঘটনার সত্যতা না পেয়ে মামলার রায় আমাদের পক্ষে দেন। পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের পরিবর্তনের পর সন্ত্রাসী আলমগীর হোসেন বেশ কিছু দিন পলাতক থেকে বর্তমানে এলাকায় ফিরে এসে অদৃশ্য শক্তির যোগসাজসে পুরোন কায়দায় আবার মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলার পায়তারা করছে। বিষয়টি নিয়ে সরজমিন তদন্তপূর্বক তৎকালিন ইটাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এড. মোঃ হাফিজুর রহমান স্বপন, সালিশ মিমাংসার আয়োজন করলে সন্ত্রাসী আলমগীর বিচার অগ্রাহ্য করে তার হয়রানীমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। ঐ সময় উক্ত চেয়ারম্যান তার ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট এর পক্ষে একটি প্রত্যয়ন পত্র দেন। তিনি সেখানে উল্লেখ্য করেন ইউনিয়ন পরিষদের নিজ কক্ষে বসিয়া আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করি। কাগজপত্র পর্যলোচনা করে দেখা যায় যে, অবসর প্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ আঃ হালিমের নিজ তফসিল বর্ণিত ভূমিতে আলমগীর হোসেন জুলুম/তছরুপ করিতেছে। তাহাকে উক্ত জমি ছাড়িয়া দিতে বলিলে সে তালবাহানা করিতেছে।
বিষয়টি নিয়ে এই প্রতিবেদক সরেজমিন খোজ খবর নিতে এলাকায় গেলে এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লোকজন জানান, মোঃ আলমগীর হোসেন ফ্যাসিবাদী আওয়ামী ছাত্রলীগের ওয়ার্ড শাখার সভাপতি হিসেবে এলাকায় জোর জুলুম, দখল চাঁদাবাজী সহ নানা ধরনের অপরাধের সথে জড়িত ছিলেন। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর বেশ কিছু দিন এলাকা থেকে পলাতক থাকলেও ইদানিং এলাকায় এসে আগের চেয়ে বেশি মিথ্যা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে অবসর প্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট আঃ হালিমকে হয়রানি করছেন। অপর দিকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট একজন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, শান্তিপ্রিয়, নিরিহ ও পরহেজগার মানুষ। তিনি ব্যবসা ও মেয়েদের পড়া লেখার প্রয়োজনে জামালপুরে থাকেন। আমরা এলাকাবাসী এই দুই পরিবারের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এটাই কামনা করি। কিন্তু ফ্যাসিবাদী ছাত্রলীগ নেতা অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ আঃ হালিমের পরিবারকে নানা ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার পায়তারা করছে। প্রশাসনের নিকট এই ফ্যাসিবাদী ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আলমগীর হোসেনের অপকর্ম রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানাই।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত আলগীরের সাথে দেখা করতে চাইলে তিনি জানান, আমি বর্তমানে বাইরে আছি। মোবাইল ফোনে তিনি জানান আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।