স্ত্রীর টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে এসে স্বামীর সংবাদ সন্মেলন
- আপডেট সময় : ১১৪ বার পড়া হয়েছে
প্রেমের সম্পর্ক, অতঃপর স্ত্রীর সনাতন ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম ধর্ম গ্রহন, অতঃপর হলনামা ও বিয়ে, স্বামীর বাড়ি ব্রাম্মনবাড়িয়ায় আনুষ্ঠানিকতা ও তিন দিনের সংসার শেষে মেয়ে বাবার বাড়ি মানিকছড়ি মুসলিম পাড়া আসলে মেয়ের পরিবারের পক্ষে ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করে, ছেলে আটক হয়ে দুই মাস কারাবরণ এবং উচ্চাদালত থেকে জামিন শেষে ২৩ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় মানিকছড়ি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সন্মেলন করে অভিযোগ উত্থাপন করে।
সংবাদ সন্মেলনে ছেলে তার লিখিত বক্তব্য পড়ে শুনান।ঘটনার বিবরণে জানাগেছে, মোঃ ইমন মিয়া(২১)গ্রাম শান্তিনগর, বুধল ৩নং ওয়ার্ড,থানা ব্রাম্মনবাড়িয়া,জেলা ব্রাম্মনবাড়িয়া খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার মুসলিমপাড়া ৮নং ওয়ার্ডের যুবরাজ মজুমদারের মেয়ে প্রিয়াংকা মজুমদার (১৮) এর সাথে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক হয়।পরে প্রিয়াংকা ইমনের সাথে পালিয়ে গিয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করে,ইসলামি শরিয়া মোতাবেক তারা বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়।বিয়ের পর প্রিয়াংকা ৩ দিন স্বামীর বাড়িতে অবস্হান করে।প্রিয়াংকার পরিবার কৌশলে প্রিয়াংকাকে মানিকছড়ি নিয়ে আসে এবং ইমনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।ইমনের মতে যা ছিল মিথ্যা,বানোয়াট ও ভূঁয়া।ইমনের মতে প্রকৃতপক্ষে প্রিয়াংকা ও ইমনের দির্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং দুজনের সম্মতিতে ইমনের বাড়িতে পারিবারিক ভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়।ইমন বলেছে সকল ঘটনার তথ্যপ্রমাণ তার কাছে রয়েছে।ইমন উল্যেখ করে বলেন প্রিয়াংকার পরিবারের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হয়ে ২ মাস কারা বরণ করে,বর্তমানে সে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছে।বর্তমানে তার স্ত্রী প্রিয়াংকা প্রাপ্ত বয়স্ক,এমতাবস্থায় ইমন তার স্ত্রীকে ফেরত দেয়াসহ তার বিরুদ্ধে আনিত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।অন্যথা তার স্ত্রীকে ফেরত পাওয়ার জন্য আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানিয়েছেন।ইমন জানিয়েছেন তার স্ত্রী প্রিয়াংকা এখন মুসলিম নারী।সনাতন পরিবারে তাকে আটকিয়ে রাখা কারো অধিকার নেই।














