ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বনাথে পৌর প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৯৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বনাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। পৌরসভা কার্যালয়ে গত রোববার সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় তিনি জানান আমাদের পৌরসভার এরিয়া অনেক বড়, কিন্তু আয় কম থাকার কারণে পৌর এলাকায় কাঙ্খিত উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে পৌরসভার হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানে এগিয়ে আসতে হবে। আর বিগত ৫ বছর ধরে যাদের হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে, শীঘ্রই তা পরিশোধ করতে হবে। নতুবা তাদের বিরুদ্ধে পৌরসভার পক্ষ থেকে ‘মার্কেটের বিল্ডিং বা বাড়িতে’ বকেয়ার তালিকা’সহ সাইন বোর্ড স্থাপনের পাশাপাশি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
পৌর প্রশাসক বলেন, বিগত সময়ে ৫ বছরের জন্য যে পৌরসভার যে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়ে ছিলো, তা ছিলো অপরিকল্পিত। যেমন কারও বেশী, কারও কম আবার কারও সঠিক ধরা হয়েছে। যে কারণে ট্যাক্স প্রদানেও মানুষের মনে অনিহা রয়েছে। বর্তমানে পৌর এলাকায় আনুমানিক ৪০% ব্যক্তি হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করছেন, হোল্ডিং গ্রহিতাদের বড় অংশই পড়ে আছেন বকেয়ার তালিকায়। আবার অনেকেই রয়েছেন হোল্ডিং’র বাইরে। এজন্য আগামী ৫ বছরের জন্য নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া চলছে।
পৌর প্রশাসক আরোও বলেন, বাসিয়া নদীতে যাতে কেউ ময়লা আবর্জনা না ফেলেন, সেজন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে নদীর তীরে পাঁকা করে কয়েকটি স্থায়ী ডাস্টবিন নির্মাণ করা হবে। চলমান মামলা বা রিট প্রক্রিয়া শেষ হলেই বাসিয়া নদীর তীরের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। তবে এরই মধ্যে বাসিয়া নদীর উৎসমুখ পুনঃখননের প্রকল্প গ্রহনের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের পাশাপাশি আগামীতে কেউ চাইলে অগ্রিম ট্যাক্সও পরিশোধ করতে পারবেন।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মার্কেটগুলোর হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করার জন্য ভাড়াটে দোকান মালিকরা সচেতন হলে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার ক্ষেত্রেও কাউকে হয়রাণী হতে হবে না। জন্ম-মৃত্যু সনদ নিতে আসা ব্যক্তিদেরকে দ্রুত সময়েই আমরা সেবা দিচ্ছে, তবে তদন্তের জন্য আমাদেরকে কিছুটা সময় দিতে হবে কাজের সচ্ছতার জন্যই।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রকৌশলী উদ্দিন আহমদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবাযের, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, সাবেক সভাপতি আশিক আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল মুন্না, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আক্তার আহমদ শাহেদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ জামাল মিয়া, সদস্য আহমদ আলী হিরণ, সুজিত দেব, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের শিক্ষানবিষ সদস্য আফজাল হোসেন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্বনাথে পৌর প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

আপডেট সময় :

বিশ্বনাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। পৌরসভা কার্যালয়ে গত রোববার সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় তিনি জানান আমাদের পৌরসভার এরিয়া অনেক বড়, কিন্তু আয় কম থাকার কারণে পৌর এলাকায় কাঙ্খিত উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে পৌরসভার হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানে এগিয়ে আসতে হবে। আর বিগত ৫ বছর ধরে যাদের হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে, শীঘ্রই তা পরিশোধ করতে হবে। নতুবা তাদের বিরুদ্ধে পৌরসভার পক্ষ থেকে ‘মার্কেটের বিল্ডিং বা বাড়িতে’ বকেয়ার তালিকা’সহ সাইন বোর্ড স্থাপনের পাশাপাশি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
পৌর প্রশাসক বলেন, বিগত সময়ে ৫ বছরের জন্য যে পৌরসভার যে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়ে ছিলো, তা ছিলো অপরিকল্পিত। যেমন কারও বেশী, কারও কম আবার কারও সঠিক ধরা হয়েছে। যে কারণে ট্যাক্স প্রদানেও মানুষের মনে অনিহা রয়েছে। বর্তমানে পৌর এলাকায় আনুমানিক ৪০% ব্যক্তি হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করছেন, হোল্ডিং গ্রহিতাদের বড় অংশই পড়ে আছেন বকেয়ার তালিকায়। আবার অনেকেই রয়েছেন হোল্ডিং’র বাইরে। এজন্য আগামী ৫ বছরের জন্য নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া চলছে।
পৌর প্রশাসক আরোও বলেন, বাসিয়া নদীতে যাতে কেউ ময়লা আবর্জনা না ফেলেন, সেজন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে নদীর তীরে পাঁকা করে কয়েকটি স্থায়ী ডাস্টবিন নির্মাণ করা হবে। চলমান মামলা বা রিট প্রক্রিয়া শেষ হলেই বাসিয়া নদীর তীরের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। তবে এরই মধ্যে বাসিয়া নদীর উৎসমুখ পুনঃখননের প্রকল্প গ্রহনের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের পাশাপাশি আগামীতে কেউ চাইলে অগ্রিম ট্যাক্সও পরিশোধ করতে পারবেন।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মার্কেটগুলোর হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করার জন্য ভাড়াটে দোকান মালিকরা সচেতন হলে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার ক্ষেত্রেও কাউকে হয়রাণী হতে হবে না। জন্ম-মৃত্যু সনদ নিতে আসা ব্যক্তিদেরকে দ্রুত সময়েই আমরা সেবা দিচ্ছে, তবে তদন্তের জন্য আমাদেরকে কিছুটা সময় দিতে হবে কাজের সচ্ছতার জন্যই।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রকৌশলী উদ্দিন আহমদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবাযের, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, সাবেক সভাপতি আশিক আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল মুন্না, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আক্তার আহমদ শাহেদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ জামাল মিয়া, সদস্য আহমদ আলী হিরণ, সুজিত দেব, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের শিক্ষানবিষ সদস্য আফজাল হোসেন প্রমুখ।