ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর

মহিউদ্দিন আকাশ, কুমিল্লা
  • আপডেট সময় : ১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে একটি বিদ্যালয়ে ঢুকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা ইসলামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এক পর্যায়ে তাকে লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিদ্যালয়ে সিসিটিভি ভাঙচুর, অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট লুটপাটের অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম সুজন ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। উপজেলার বেড়াখলা আব্দুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন হাসিনা ইসলাম গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের নিকট এই অভিযোগ করেন।
তিনি জানান,রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে আমিনুল ইসলাম সুজন অর্ধশতাধিক সমর্থক নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে মব সৃষ্টি করেন। তারা প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের পর চেয়ার থেকে লাথি মেরে ফেলে দেন। এক পর্যায়ে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যান। তার মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সাও নিয়ে গেছে।
তিনি জানান, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন আমিনুল ইসলাম সুজন। জাল সনদ ধরা পড়ায় ২০১৯ সালে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সম্প্রতি সুজন দাবি করেন, আদালত তার পক্ষে রায় দিয়েছে। যা সঠিক নয়। এমন দাবি করে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেন।
অভিযোগের বিষয়ে আমিনুল ইসলাম সুজন জানান, হাইকোর্ট থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি রায় পেয়েছি। তারপরও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি। স্থানীয়রা বিষয়টি জানার পর তার সঙ্গে হট্টগোল হয়। কেউ যদি উনাকে আঘাত করে থাকেন আমিও তার বিচার চাই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বির সেলিম আহমেদ জানান, শিক্ষিকার ওপরে হামলার ঘটনার পর রাত ১২টায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আমাদের টিম তিনবার সেখানে গিয়ে তদন্ত করেছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, বেড়াখলা আব্দুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এই ঘটনায় আদালতে রিট হয়েছে। এদিকে শিক্ষিকার ওপর হামলার বিষয়ে শুনেছি। এবিষয়ে থানা পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর

আপডেট সময় :

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে একটি বিদ্যালয়ে ঢুকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা ইসলামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এক পর্যায়ে তাকে লাথি দিয়ে চেয়ার থেকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিদ্যালয়ে সিসিটিভি ভাঙচুর, অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট লুটপাটের অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম সুজন ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। উপজেলার বেড়াখলা আব্দুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন হাসিনা ইসলাম গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের নিকট এই অভিযোগ করেন।
তিনি জানান,রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে আমিনুল ইসলাম সুজন অর্ধশতাধিক সমর্থক নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে মব সৃষ্টি করেন। তারা প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের পর চেয়ার থেকে লাথি মেরে ফেলে দেন। এক পর্যায়ে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যান। তার মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সাও নিয়ে গেছে।
তিনি জানান, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন আমিনুল ইসলাম সুজন। জাল সনদ ধরা পড়ায় ২০১৯ সালে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সম্প্রতি সুজন দাবি করেন, আদালত তার পক্ষে রায় দিয়েছে। যা সঠিক নয়। এমন দাবি করে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তিনি কর্মস্থলে যোগদান করেন।
অভিযোগের বিষয়ে আমিনুল ইসলাম সুজন জানান, হাইকোর্ট থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি রায় পেয়েছি। তারপরও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি। স্থানীয়রা বিষয়টি জানার পর তার সঙ্গে হট্টগোল হয়। কেউ যদি উনাকে আঘাত করে থাকেন আমিও তার বিচার চাই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বির সেলিম আহমেদ জানান, শিক্ষিকার ওপরে হামলার ঘটনার পর রাত ১২টায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আমাদের টিম তিনবার সেখানে গিয়ে তদন্ত করেছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, বেড়াখলা আব্দুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এই ঘটনায় আদালতে রিট হয়েছে। এদিকে শিক্ষিকার ওপর হামলার বিষয়ে শুনেছি। এবিষয়ে থানা পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।