ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

ডিমলায় ছাত্রীকে আটক রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীর ডিমলায় ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ৫ ঘন্টা আটক রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ২ জনকে আসামী করে ডিমলা থানায় একটি গণধর্ষণের মামলা হয়েছে।
জানা গেছে, নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিনের তালতলা সরকার পাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের কন্যা ও ডালিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী আক্তার (১৫) (ছদ্মনাম)। ভিকটিমের পিতা জাহিদুল ইসলাম ভিকটিমের মাতা মোছা, মাহবুবা বেগমকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করে ঘরসংসার করায় ভিকটিমের মাতা মাহবুবা বেগম প্রতিবন্ধী হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত কোন গ্রাম একই ইউনিয়নের ডালিয়া সরকার পাড়া গ্রামের নানা মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে অবস্থান করিয়া ডালিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে আসছিল। বর্তমানে সে নবম শ্রেণীতে অধ্যায়ন করিতেছিলেন। ঘটনার দিন গত রোববার সকালে ভিকটিমের মাথা মাহবুবা বেগমকে লইয়া নানী সেরিনা বেগম (৫৫) ডাক্তার দেখানোর জন্য সকাল ৮টার দিকে রংপুরের যায়। বাড়িতে ভিকটিম ও তার ছোট বোন গয়না আক্তার (১৩)। ভিকটিম বাড়িতে একাকী থাকার সুযোগে একই গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা( ২১) ও মো, বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) ওই ভিকটিম কে দুপুর ২ টার দিকে পার্শ্ববতী ভুট্টা ভুট্টা ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ২ টা থেকে সন্ধা ৭ টা পর্যন্ত ৫ ঘন্টা আটক রেখে ওই অভিযুক্ত ২ যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ভিকটিম সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় তাকে অনেক খোঁজাখোঁজির পর বাড়ির অর্ধ কিলোমিটার দুরে ভুট্টা ক্ষেতের পার্শ্ববর্তী জনৈকত শহিদুল ইসলামের মোদীর দোকানের পার্শ্বে গুরুতর আহত অবস্থায় ভিকটিম আক্তারকে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভিটিমকে উদ্ধার করে নানা মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে নেয়া হয়। রাত ৮ টার দিকে নানাী সেরিনা বেগম রংপুর থেকে বাড়িতে ফিরে ঘটনা জানতে পেরে গভীর রাতে ধর্ষিতা আক্তাকে ডিমলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটানা জানার পর ডিমলা থানার এস আই ঠাকুর দাসের নেতৃত্বে অভিযুক্ত ধর্ষক দ্বয়কে গ্রেফতারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। সোমবার ৬ (এপ্রিল) ভিকটিমের নানী সেরিনা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে ডিমলা থানা একটি গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন। (ডিমলা থানার মামলা নং ৫ তাং- ৬-৪-২৬ ইং।)
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো, শওকত আলী সরকার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমি নিজেই। ভিকিমের জবানবন্দী ও ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য ভিকটিমকে নীলফারীতে নেয়া হয়েছে।
অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ডিমলায় ছাত্রীকে আটক রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় :

নীলফামারীর ডিমলায় ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ৫ ঘন্টা আটক রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ২ জনকে আসামী করে ডিমলা থানায় একটি গণধর্ষণের মামলা হয়েছে।
জানা গেছে, নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিনের তালতলা সরকার পাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের কন্যা ও ডালিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী আক্তার (১৫) (ছদ্মনাম)। ভিকটিমের পিতা জাহিদুল ইসলাম ভিকটিমের মাতা মোছা, মাহবুবা বেগমকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করে ঘরসংসার করায় ভিকটিমের মাতা মাহবুবা বেগম প্রতিবন্ধী হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত কোন গ্রাম একই ইউনিয়নের ডালিয়া সরকার পাড়া গ্রামের নানা মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে অবস্থান করিয়া ডালিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে আসছিল। বর্তমানে সে নবম শ্রেণীতে অধ্যায়ন করিতেছিলেন। ঘটনার দিন গত রোববার সকালে ভিকটিমের মাথা মাহবুবা বেগমকে লইয়া নানী সেরিনা বেগম (৫৫) ডাক্তার দেখানোর জন্য সকাল ৮টার দিকে রংপুরের যায়। বাড়িতে ভিকটিম ও তার ছোট বোন গয়না আক্তার (১৩)। ভিকটিম বাড়িতে একাকী থাকার সুযোগে একই গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা( ২১) ও মো, বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) ওই ভিকটিম কে দুপুর ২ টার দিকে পার্শ্ববতী ভুট্টা ভুট্টা ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ২ টা থেকে সন্ধা ৭ টা পর্যন্ত ৫ ঘন্টা আটক রেখে ওই অভিযুক্ত ২ যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ভিকটিম সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় তাকে অনেক খোঁজাখোঁজির পর বাড়ির অর্ধ কিলোমিটার দুরে ভুট্টা ক্ষেতের পার্শ্ববর্তী জনৈকত শহিদুল ইসলামের মোদীর দোকানের পার্শ্বে গুরুতর আহত অবস্থায় ভিকটিম আক্তারকে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভিটিমকে উদ্ধার করে নানা মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে নেয়া হয়। রাত ৮ টার দিকে নানাী সেরিনা বেগম রংপুর থেকে বাড়িতে ফিরে ঘটনা জানতে পেরে গভীর রাতে ধর্ষিতা আক্তাকে ডিমলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটানা জানার পর ডিমলা থানার এস আই ঠাকুর দাসের নেতৃত্বে অভিযুক্ত ধর্ষক দ্বয়কে গ্রেফতারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। সোমবার ৬ (এপ্রিল) ভিকটিমের নানী সেরিনা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে ডিমলা থানা একটি গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন। (ডিমলা থানার মামলা নং ৫ তাং- ৬-৪-২৬ ইং।)
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো, শওকত আলী সরকার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমি নিজেই। ভিকিমের জবানবন্দী ও ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য ভিকটিমকে নীলফারীতে নেয়া হয়েছে।
অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।