ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে ব্যাংক গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ

সাবেক ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

নোয়াখালী ব্যুরোপ্রধান
  • আপডেট সময় : ৩০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের দায়ে রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. বেলায়েত হোসেনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত বেলায়েত হোসেন সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ গ্রামের আনছার আলী বেপারী বাড়ির মৃত আব্দুর রবের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, তিনি ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় ৫৬ জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে নগদ ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন, যা দুদকের প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়।
ঘটনার তদন্ত শেষে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি আদালতে পরিচালনা করেন নোয়াখালী দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহির উদ্দিন।
তিনি জানান, আদালত তিনটি ধারায় আসামিকে মোট ১৫ বছরের কারাদণ্ড ও আত্মসাৎ করা ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা জরিমানা করেছেন। আসামি বেলায়েত হোসেন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নোয়াখালীতে ব্যাংক গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ

সাবেক ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের দায়ে রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. বেলায়েত হোসেনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত বেলায়েত হোসেন সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ গ্রামের আনছার আলী বেপারী বাড়ির মৃত আব্দুর রবের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, তিনি ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় ৫৬ জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে নগদ ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন, যা দুদকের প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়।
ঘটনার তদন্ত শেষে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি আদালতে পরিচালনা করেন নোয়াখালী দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহির উদ্দিন।
তিনি জানান, আদালত তিনটি ধারায় আসামিকে মোট ১৫ বছরের কারাদণ্ড ও আত্মসাৎ করা ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা জরিমানা করেছেন। আসামি বেলায়েত হোসেন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।