মিনিসিপালিটি লেভেল মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির ত্রৈমাসিক সভা
- আপডেট সময় : ২৬ বার পড়া হয়েছে
সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলমেন্ট এন্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) এর সহযোগিতায় সাসটেনেবল এগ্রিকালচার ফাউন্ডেশন (এসএএফ) বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়নে ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) নাইস প্রকল্পের বাস্তবায়নে দিনাজপুর পৌরসভার ফাতেউল আলম দুলাল মিলনায়তনে বিভিন্ন সেক্টরের সরকারি কর্মকর্তা ও ইসডিও এবং নাইস প্রকল্পের কর্মকর্তা বৃন্দের অংশগ্রহণে ত্রৈমাসিক অগ্রগতি বিনিমিয় ও পুষ্টি কর্মপরিকল্পনার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
গত সোমবার ২০.০৪.২০২৬ ইং তারিখে এই ত্রৈমাসিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনার কর্মশালাতে দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও দিনাজপুর পৌরসভার প্রশাসকের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ আকতার ইমাম মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ত্রৈমাসিক অগ্রগতি বিনিমিয় ও পুষ্টি কর্মপরিকল্পনার কর্মশালার বিভিন্ন তথ্যাদি বর্ননা দেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি দিনাজপুর পৌরসভার প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন বক্তব্যে বলেন, আমার কাছে মনে হয় আমরা পুষ্টির জন্য যা কিছু নিয়মমাফিক তদারকি করছি তার পাশাপাশি অকৃষি সেক্টরগুলো যুক্ত আছে তা আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে স্যুয়েজ সিস্টেম, ড্রেনেজ সিস্টেম, শব্দ দূষণ এগুলো জড়িত। সমাজের এ বিষয়গুলো নিউট্রিশনকে বাধাগ্রস্ত করে। আমাদের শহরের ড্রেন সিস্টেম নিউট্রিশনকে প্রভাবিত করে। এটা যেহেতু ইকো সিস্টেমকে সাসটেইন করে। প্রত্যেকটি প্রতিটির সঙ্গে লিংক আছে। পুষ্টি নিয়ে নাইস প্রকল্প স্কুলের ছেলে মেয়েদের যে শিক্ষা দিয়েছে ভবিষৎতে তার ভাল দিক রয়েছে। একদিন এই প্রকল্প শেষ হয়ে যাবে কিন্তু আমাদেরকে ধরে রাখতে হবে। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ কোন উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হয় সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখবেন। ইনস্টিটিশন ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট করার জন্য সামনের দিনগুলোতে নাইস প্রকল্পকে বেশি জোর দিতে হবে।
উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন, নাইস প্রজেক্টের এস এ এফ বাংলাদেশ ম্যানেজার মো: মোশফেকুল আলম তালুকদার, জেলার যুব উন্নয়ন উপ-পরিচালক খন্দকার মোঃ রওনাকুল ইসলাম, জেলার মহিল্ াবিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মোর্শেদ আলী খান, জেলার অতিরিক্ত প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ গোলাম কিবরিয়া, দিনাজপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মিনারুল ইসলাম খান, দিনাজপুর পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী ও ফোকাল পার্সন মোঃ মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ পুষ্টি উন্নয়নে অগ্রসর হলেও এখনো শিশুদের মধ্যে খর্বতা ২৪% ও কৃশকায় ১১% বিদ্যমান। পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজন ও ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধির প্রবণতা পুষ্টি পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে, একটি বহু-ক্ষেত্রীয় এবং সু সংঘটিত পদক্ষেপের প্রয়োজন। জাতীয় পুষ্টি পরিকল্পনা একটি কৌশলগত কাঠামো প্রদান করে কিন্তু এর সাফল্য নির্ভর করে দৃঢ় শাসন ব্যবস্থা, অংশীজনদের সমন্বয় এবং কার্যকর সম্পদ ব্যবহারের উপর।
সরকারি ব্যয় বাড়লেও মাত্র ৬%পুষ্টি নির্দিষ্ট খাতে ব্যয় হচ্ছে এমন জিডিপির এর এক ১% এর নিচে রয়ে গেছে। এটি পুষ্টি শাসন ব্যবস্থা যার মধ্যে রয়েছে পরিকল্পনা এবং অংশীজনদের জবাবদিহিতা, শক্তিশালী করার জন্য জরুরী পদক্ষেপের দাবি রাখে। এই পরিস্থিতিতে শক্তিশালী করার জন্য জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন। যার মধ্যে পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন, পর্যবেক্ষণ এবং অংশীদারদেরা দায়বদ্ধতা অন্তর্ভুক্ত।
এই কর্মশালাতে দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ সাদমান সাকিব, জেলা খাদ্য নিরাপদ অফিসার গৌতম কুমার সাহা, সাব বাংলাদেশ এম আর এম এন্ড কমিউনিকেশন অফিসার মোঃ আবিদ আহমেদ ও ফিল কোর্ডিনেটর মোঃ সোহেল আহমেদ, ফোকাল পার্সন ইসডিওর মোঃ আশরাফুল আলম, নাইস প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মোঃ ইসমাইল হোসেন, মোঃ সাজ্জাদুর রহমান, মোঃ রিফাত হাসান ও ইসডিওর ফিনান্স অফিসার মোঃ হোসেন আলী সাগরসহ সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।




















