হাবিপ্রবিতে ‘স্ট্যাটিস্টিক্যাল এনালাইসিস, সায়েন্টিফিক পেপার এন্ড থিসিস রাইটিং শীর্ষক ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সমাপ্ত
- আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
হাজী মোহাম্মদ দানেশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউট অবরিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (আইআরটি)’র আয়োজনে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্ট্যাটিস্টিক্যাল এনালাইসিস, সায়েন্টিফিক পেপার এন্ড থিসিস রাইটিং শীর্ষক ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
গত বুধবার ১৩ মে ৯.৩০ টায় ২০২৬ ইং বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ এ ৫ম ও শেষ দিনের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রোভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির। হাবিপ্রবির ইনস্টিটিউট অবরিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (আইআরটি)’র পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. নওশেরওয়ান, একাউন্টিং বিভাগের প্রফেসর ড. শেখ মোস্তাক আহমেদ এবং সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আবুল কালামসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইআরটি’র উপ-পরিচালক মো. শাহজাহান মন্ডল।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, গবেষণার প্রতিটি ধাপেই নিবিড় মনোযোগ, আন্তরিকতা ও সততা বজায় রাখতে হবে এর কোন বিকল্প নেই। ছাত্রজীবন থেকেই গবেষণার সাথে যুক্ত হতে পারলে পরবর্তীতে একজন ভালো মানের গবেষক হওয়া সহজ হয়। কারণ, গবেষণার ক্ষেত্রে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, পেপার লিখতে হয় এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা যায়। গুণগত মানের গবেষক হওয়ার জন্য গবেষণায় বেশি বেশি সময় দিতে হবে। অনেকে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধি মত্তার সহযোগিতা নিয়ে গবেষণার কাজ করেন। এতে করে গবেষণার সঠিক মান বজায় থাকে না। তাই নিজের মেধা ও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে গবেষণায় মনোনিবেশ করতে হবে।
উরেøখ্য যে, প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ডাটা সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণ, ডাটা-বিশ্লেষণ, থিসিস প্রস্ততকরণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা পত্র রচনা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সমাপনী দিনে বিজনেস স্টাডিজ এবং সোস্যাল সায়েন্স এন্ড হিউম্যানিটিস অনুষদের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ১৫৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

















