ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

নগরকান্দায় জমি বিরোধে পাল্টাপাল্টি মামলা, ন্যায়বিচারের দাবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চৌমুখা এলাকায় দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একের পর এক মামলার মুখে পড়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছে একটি পরিবার। তবে মামলার বাদীপক্ষ বলছে, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মামলা করা হয়েছে।

মামলার নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চৌমুখা মৌজার প্রায় ৯৫ শতাংশ পুকুর, ভিটা ও পালান জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি খাসজমি নিলামের মাধ্যমে চৈতন্য কৃষ্ণ বিশ্বাসের নামে বন্দোবস্ত হয়। পরে তিনি কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিটি সেন্টু কাজীর কাছে বিক্রি করেন। এরপর সংলগ্ন জমির মালিক আমিন উদ্দিন মৃধা আইন অনুযায়ী ক্রয়মূল্য জমা দিয়ে জমির মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন আদালতে দীর্ঘদিন ধরে বিচারিক কার্যক্রম চলে।

পরে সৈয়দ আলী মুন্সি ও মান্নান সরদার জমির মালিকানা দাবি করে দেওয়ানি মামলা করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রায় ৩০ বছর পর চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল ওই মামলায় আমিন উদ্দিন মৃধার পক্ষের অনুকূলে আদেশ আসে।

পরিবারটির অভিযোগ, ওই আদেশের পর সৈয়দ আলী মুন্সি মৃত আমিন উদ্দিন মৃধার ছেলে কবির মৃধাসহ আটজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে স্থগিত হলেও পরে পুনরায় চালু হয় এবং বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

কবির মৃধা বলেন, “জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে একের পর এক মামলা করা হচ্ছে। এতে আমরা আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছি। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চাই।”

তিনি আরও বলেন, “মামলায় উপস্থাপিত নিলামসংক্রান্ত কাগজপত্রে অসঙ্গতি রয়েছে। বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

অভিযোগের বিষয়ে মামলার বাদী সৈয়দ আলী মুন্সি বলেন, “আমি আইন অনুযায়ী মামলা করেছি। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।”

জমির মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নগরকান্দায় জমি বিরোধে পাল্টাপাল্টি মামলা, ন্যায়বিচারের দাবি

আপডেট সময় :

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চৌমুখা এলাকায় দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একের পর এক মামলার মুখে পড়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছে একটি পরিবার। তবে মামলার বাদীপক্ষ বলছে, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মামলা করা হয়েছে।

মামলার নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চৌমুখা মৌজার প্রায় ৯৫ শতাংশ পুকুর, ভিটা ও পালান জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি খাসজমি নিলামের মাধ্যমে চৈতন্য কৃষ্ণ বিশ্বাসের নামে বন্দোবস্ত হয়। পরে তিনি কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিটি সেন্টু কাজীর কাছে বিক্রি করেন। এরপর সংলগ্ন জমির মালিক আমিন উদ্দিন মৃধা আইন অনুযায়ী ক্রয়মূল্য জমা দিয়ে জমির মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন আদালতে দীর্ঘদিন ধরে বিচারিক কার্যক্রম চলে।

পরে সৈয়দ আলী মুন্সি ও মান্নান সরদার জমির মালিকানা দাবি করে দেওয়ানি মামলা করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রায় ৩০ বছর পর চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল ওই মামলায় আমিন উদ্দিন মৃধার পক্ষের অনুকূলে আদেশ আসে।

পরিবারটির অভিযোগ, ওই আদেশের পর সৈয়দ আলী মুন্সি মৃত আমিন উদ্দিন মৃধার ছেলে কবির মৃধাসহ আটজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে স্থগিত হলেও পরে পুনরায় চালু হয় এবং বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

কবির মৃধা বলেন, “জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে একের পর এক মামলা করা হচ্ছে। এতে আমরা আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছি। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চাই।”

তিনি আরও বলেন, “মামলায় উপস্থাপিত নিলামসংক্রান্ত কাগজপত্রে অসঙ্গতি রয়েছে। বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

অভিযোগের বিষয়ে মামলার বাদী সৈয়দ আলী মুন্সি বলেন, “আমি আইন অনুযায়ী মামলা করেছি। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।”

জমির মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে।