আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখল প্রতিবাদে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ১৯ বার পড়া হয়েছে
রংপুরের পীরগঞ্জে আদালতের আদেশ অমান্য করে কোটি টাকা মুল্যের জমি দখল করায় ভুমিদস্যু মাসুম আকন্দ ও পীরগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে সময় ক্ষেপনের মাধ্যমে বিবাদীকে সহযোগিতা করার অভিযোগে মানববন্ধন করেছে ভূক্তভোগী পরিবার।
গতকাল বুধবার দুপুরে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য তৌহিদুল ইসলাম মন্ডল, কবি-সাহিত্যিক সুলতান আহমেদ সোনা,পৌর বিএনপি নেতা আব্দুল করিম সরকার, পৌর যুবদল নেতা একরামুল হক প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৮৭ সালে ৯৩৬০নং দলিলে হুজুর আলী মন্ডল ও ১৯৯৪ সালে ৩৫৬৫ কবলা দলিল মূলে মোখলেছার রহমানের নিকট থেকে ওসমানপুর মৌজায় ১০৯১ দাগে ২২.৫ শতক জমি ক্রয় করেন তৌহিদুল মন্ডলের পিতা মৃত তসলিম উদ্দিন মন্ডল। প্রায় চল্লিশ বছর ধরে ভোগদখল করা অবস্থায় বর্তমান বিআরএস রেকর্ড নিজ নামে হওয়ার পর তসলিম উদ্দিন ওরফে ভূলু মন্ডল মারা গেলে তার ওয়ারিশরা ওই জমি ভোগদখল করে আসছিল।
সম্প্রতি ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারন কাজে ৪ শতক জমি অধিগ্রহণ করে সওজ। অধিগ্রহনকৃত জমির অর্থও রংপুর ডিসি অফিস প্রদান করে ভুলু মন্ডলের ওয়াশিরদেরকে। ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী রাতের আধারে ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে টিনের বেড়া দিয়ে জমি দখলে নিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তৌহিদুল মন্ডলের কাছে। নিরুপায় হয়ে তছলিম উদ্দিনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম মন্ডল অতিরিক্ত বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা রুজু করেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
এদিকে আদালত গত ১২/১১/২০২৫ তারিখে রংপুরের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৪/১৪৫ ধারা (২৭৫/২৫) রায় প্রদান করে জানান, জমিতে প্রতিপক্ষ দের প্রবেশাধিকারে বারিত করা হয়। ওসি পীরগঞ্জ থানাকে আদেশ বাস্তবায়নে নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এদিকে, দখলের চেষ্টার শুরুতেই থানার শ্বরণাপন্ন তৌহিদুল ইসলাম মন্ডল ও রাশেদুল ইসলাম মন্ডলের অভিযোগ তদন্তে নামেন পীরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত নাহিদ ইসলাম। ন্যায় বিচার বা অবৈধ দখল চেষ্টা প্রতিহত না করে আপষ-মীমাংসার একাধিক বৈঠক বসান।
সে সময়ে ভুমিদস্যু মাসুম আকন্দ কিছু দলিল উপস্থান করলে তা জাল হিসেবে প্রমাণিত হয়। বৈঠক-মিমাংসার অজুহাতে কালক্ষেপণ করে প্রতিপক্ষকে জমিতে অবকাঠামো নিমার্ণে সুযোগ দিয়েন ওসি তদন্ত বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে ওসি তদন্ত নাহিদ ইসলামের সরকারি নম্বরে (০১৩২০১৩১৫১২) একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।















