ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ইসলামপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের ইসলামপুরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার থানার মোড়ে জেলা পরিষদ ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসময় জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাবু এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাবের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে এমপি বাবু ও সাধারণ সম্পাদক নবাবের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছিল। এরই মধ্যে সন্ধ্যায় ডাকবাংলোর দ্বিতীয় তলায় অবস্থান নেন এমপি বাবু ও নবাব। এসময় নিচে থাকা দুই জনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় এমপি বাবু ও সাধারণ সম্পাদক নবাবের গাড়িসহ বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরে রাত ৮টার দিকে এমপিকে উদ্ধার করে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে পুরো ইসলামপুরজুড়ে।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন দিলেও ধরেননি সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব। এ বিষয়ে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু সাংবাদিকদের বলেন, নতুন ইউএনও’র সঙ্গে কথা বলার সময় একদল দুষ্কৃতকারী গাড়িটি ভাঙচুর করেছে। দ্রুত এদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
ইসলামপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এমপি স্যারের গাড়ি, নবাব সাহেবের গাড়িসহ তিনটি গাড়ি এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইসলামপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

আপডেট সময় :

জামালপুরের ইসলামপুরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার থানার মোড়ে জেলা পরিষদ ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসময় জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাবু এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাবের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে এমপি বাবু ও সাধারণ সম্পাদক নবাবের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছিল। এরই মধ্যে সন্ধ্যায় ডাকবাংলোর দ্বিতীয় তলায় অবস্থান নেন এমপি বাবু ও নবাব। এসময় নিচে থাকা দুই জনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় এমপি বাবু ও সাধারণ সম্পাদক নবাবের গাড়িসহ বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরে রাত ৮টার দিকে এমপিকে উদ্ধার করে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে পুরো ইসলামপুরজুড়ে।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন দিলেও ধরেননি সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব। এ বিষয়ে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু সাংবাদিকদের বলেন, নতুন ইউএনও’র সঙ্গে কথা বলার সময় একদল দুষ্কৃতকারী গাড়িটি ভাঙচুর করেছে। দ্রুত এদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
ইসলামপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এমপি স্যারের গাড়ি, নবাব সাহেবের গাড়িসহ তিনটি গাড়ি এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত আছে।