ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালটসহ ভোটের উপকরণ Logo সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে আনসার-ভিডিপি Logo নির্বাচনী মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম Logo কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে, আহত-৭ Logo শাল্লায় জালিয়াতি করে জলমহাল দখল চেষ্টার অভিযোগ Logo বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী Logo মাগুরায় দুই আসনে ৭ দলের ১১ প্রার্থী Logo ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে Logo ‘এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই’ Logo পেঁয়াজের সাদা ফুলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের ১১ দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলীর বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় কেশবপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পৌর কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ নিন্দা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গভীর রাতে আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটের দিকে অধ্যাপক মোক্তার আলীর নিজ বাসভবনে সন্ত্রাসী একটি গ্রুপ হাতবোমা বা ককটেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনাকে কাপুরুষোচিত, পরিকল্পিত ও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করে সংগঠনটি এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি কেশবপুরে চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী পরিবেশকে আতঙ্কিত করা, সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং একজন জনপ্রিয় প্রার্থীকে দমিয়ে রাখার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই হামলা শুধু একজন প্রার্থীর ওপর নয়, বরং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ওপর সরাসরি আঘাত। একই সঙ্গে এটি সংবিধান, গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকারকে চ্যালেঞ্জ করার শামিল বলেও উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—
১. হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা। ২. ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করে নেপথ্যে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। ৩. নির্বাচনী সময়কালে কেশবপুরে ভোটার, প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৪. ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের সব ধরনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের মনোবল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া যাবে না। কেশবপুরের মানুষ ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বক্তারা দাবি করেন, সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও হুমকি উপেক্ষা করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী বিজয়ী হবেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে বলা হয়, সন্ত্রাস দিয়ে জনগণের রায় ঠেকানো যায় না এবং ভয় দেখিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করা যায় না। কেশবপুরের মানুষ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমেই এর জবাব দেবে। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলার তিন সদস্য এবং খুলনা মহানগরের সাবেক ছাত্রশিবির সভাপতি ও ঢাকা কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক সাঈদুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলা সহকারী সেক্রেটারি বিল্লাল হোসেন, কেশবপুর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা রিজাউল ইসলাম, সেক্রেটারি মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি তবিবুর রহমান, উপজেলা কর্মপরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান, পৌর জামায়াতে ইসলামী আমির প্রভাষক জাকির হোসেন প্রমুখ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি

আপডেট সময় :

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের ১১ দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলীর বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় কেশবপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পৌর কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ নিন্দা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গভীর রাতে আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটের দিকে অধ্যাপক মোক্তার আলীর নিজ বাসভবনে সন্ত্রাসী একটি গ্রুপ হাতবোমা বা ককটেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনাকে কাপুরুষোচিত, পরিকল্পিত ও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করে সংগঠনটি এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি কেশবপুরে চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী পরিবেশকে আতঙ্কিত করা, সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং একজন জনপ্রিয় প্রার্থীকে দমিয়ে রাখার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই হামলা শুধু একজন প্রার্থীর ওপর নয়, বরং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ওপর সরাসরি আঘাত। একই সঙ্গে এটি সংবিধান, গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকারকে চ্যালেঞ্জ করার শামিল বলেও উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—
১. হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা। ২. ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করে নেপথ্যে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। ৩. নির্বাচনী সময়কালে কেশবপুরে ভোটার, প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৪. ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের সব ধরনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের মনোবল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া যাবে না। কেশবপুরের মানুষ ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বক্তারা দাবি করেন, সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও হুমকি উপেক্ষা করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী বিজয়ী হবেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে বলা হয়, সন্ত্রাস দিয়ে জনগণের রায় ঠেকানো যায় না এবং ভয় দেখিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করা যায় না। কেশবপুরের মানুষ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমেই এর জবাব দেবে। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলার তিন সদস্য এবং খুলনা মহানগরের সাবেক ছাত্রশিবির সভাপতি ও ঢাকা কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক সাঈদুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলা সহকারী সেক্রেটারি বিল্লাল হোসেন, কেশবপুর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা রিজাউল ইসলাম, সেক্রেটারি মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি তবিবুর রহমান, উপজেলা কর্মপরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান, পৌর জামায়াতে ইসলামী আমির প্রভাষক জাকির হোসেন প্রমুখ।