ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট Logo ডামুড্যায় ২ শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখে মাছ ধরা উৎসব পালিত

চতুর্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ, অথচ যুব মহিলা লীগ নেত্রী মিম পরিচয় দিতেন দুলাভাই

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৬৩৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

চতুর্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ, অথচ যুব মহিলা লীগ নেত্রী মিম তাকে পরিচয় দিতেন দুলাভাই হিসাবে। দু’জন মিলে করতেন প্রতারণা! অবশেষে প্রতারণার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার হন পাবনা জেলা যুব মহিলা লীগের নেত্রী মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম (২৬) তার স্বামী ওবায়দুল্লাহকে (৩৬)।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান বাবু নামে এক ব্যক্তি এসব তথ্য দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেছেন। বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পেরেছেন, দুলাভাই হিসাবে পরিচয় দিলেও মূলত মিমের চতুর্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ। তারা দুজন মিলে পরিকল্পিতভাবে আমাকে প্রতারণার জালে ফেলে।

মনিরুজ্জামান বাবু জানান, পাওনা টাকা উদ্ধারে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করলে বুধবার পাবনা শহরের মাসুম বাজার এলাকার বাসা থেকে মিম ও ওবায়দুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া মিম খাতুন পাবনা পৌর সদরের পুরোনো মাসুম বাজার এলাকার মিন্টু মোল্লার মেয়ে এবং পাবনা পৌর যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি। তার স্বামী ওবায়দুল্লাহ একই এলাকার বাসিন্দা।

মামলার বাদী মনিরুজ্জামান বাবু (৩২) পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা হাটপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। পেশায় তিনি ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী। গুলশান-২ এ তার এবিএস নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বাবু বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে মিমের সঙ্গে আমার পরিচয়। কিছুদিন পর ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে দুলাভাই হিসেবে আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন মিম এবং বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার কথা বলে ১৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা নেন মিম ও ওবায়দুল্লাহ। বিশ্বাস করে দলিল ছাড়া লেনদেন হলেও, পরে দলিল করতে চাইলে তারা টালবাহানা শুরু করেন। পাওনা টাকা ফেরত দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দেন। এরপর আমাকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও হুমকি দেখান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চতুর্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ, অথচ যুব মহিলা লীগ নেত্রী মিম পরিচয় দিতেন দুলাভাই

আপডেট সময় :

 

চতুর্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ, অথচ যুব মহিলা লীগ নেত্রী মিম তাকে পরিচয় দিতেন দুলাভাই হিসাবে। দু’জন মিলে করতেন প্রতারণা! অবশেষে প্রতারণার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার হন পাবনা জেলা যুব মহিলা লীগের নেত্রী মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম (২৬) তার স্বামী ওবায়দুল্লাহকে (৩৬)।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান বাবু নামে এক ব্যক্তি এসব তথ্য দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেছেন। বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পেরেছেন, দুলাভাই হিসাবে পরিচয় দিলেও মূলত মিমের চতুর্থ স্বামী ওবায়দুল্লাহ। তারা দুজন মিলে পরিকল্পিতভাবে আমাকে প্রতারণার জালে ফেলে।

মনিরুজ্জামান বাবু জানান, পাওনা টাকা উদ্ধারে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করলে বুধবার পাবনা শহরের মাসুম বাজার এলাকার বাসা থেকে মিম ও ওবায়দুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া মিম খাতুন পাবনা পৌর সদরের পুরোনো মাসুম বাজার এলাকার মিন্টু মোল্লার মেয়ে এবং পাবনা পৌর যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি। তার স্বামী ওবায়দুল্লাহ একই এলাকার বাসিন্দা।

মামলার বাদী মনিরুজ্জামান বাবু (৩২) পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা হাটপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। পেশায় তিনি ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী। গুলশান-২ এ তার এবিএস নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বাবু বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে মিমের সঙ্গে আমার পরিচয়। কিছুদিন পর ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে দুলাভাই হিসেবে আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন মিম এবং বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার কথা বলে ১৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা নেন মিম ও ওবায়দুল্লাহ। বিশ্বাস করে দলিল ছাড়া লেনদেন হলেও, পরে দলিল করতে চাইলে তারা টালবাহানা শুরু করেন। পাওনা টাকা ফেরত দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দেন। এরপর আমাকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও হুমকি দেখান তারা।