ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

জকসুর রূপরেখা প্রণয়ন, নির্বাচন ২৭ নভেম্বর

নাইমুর রহমান, জবি
  • আপডেট সময় : ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন। ইতোমধ্যেই নির্বাচনী রূপরেখা প্রণয়ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৮ অক্টোবর জকসু নির্বাচন কমিশন গঠন ও কার্যক্রম শুরু (প্রভিশনাল, বিধি এলে সে অনুযায়ী চূড়ান্ত হবে) হবে।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
রূপরেখায় দেখা যায়, আগামী ৮ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম শুরু হবে। ওইদিন ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক সংগঠন ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ধাপে ধাপে তফসিল ঘোষণা, ভোটার তালিকা প্রস্তুত, মনোনয়ন জমা ও বাছাই, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং প্রচার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
জকসু নির্বাচন কমিশন গঠন ও কার্যক্রম শুরু (প্রভিশনাল, বিধি এলে সে অনুযায়ী চূড়ান্ত হবে) ৮ অক্টোবর। এরপর ৯-১৮ অক্টোবর ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক সংগঠন ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে জকসু নির্বাচন নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন করে পরদিনই জকসু নির্বাচন তফসিল ও আচরণবিধি ঘোষণা করা হবে। এভাবেই পর্যায়ক্রমে খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটার তালিকা প্রকাশ, ভোটার তালিকা সংশোধন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইত্যাদি।
বিজ্ঞপ্তি হতে আরও জানা যায়, ৩৫তম দিনে মনোনয়ন জমাদান; ৩৭তম দিন: মনোনয়ন বাছাই; ৩৯তম দিন: আপত্তি নিষ্পত্তি; ৪০তম দিন: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ; ৪৬তম দিন: নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম এবং সর্বশেষ ২৭ নভেম্বর ৪৮তম দিনে ভোটগ্রহণ ও অফিসিয়াল ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচে তিন দফা দাবিতে এ কর্মসূচি শুরু করেন শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) নেতাকর্মীরা। টানা ৩০ ঘণ্টা ধরে অনশন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এদিকে আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনশনে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে দুইজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় তাদের স্যালাইন দেওয়া হয়। অনশনের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন শাখা ছাত্রদল, শিবির, আপ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মূলত তিন দফা দাবি নিয়ে তারা অনশন করেন। দাবিগুলো হলো— শিক্ষার্থীদের সম্পূরক বৃত্তি কবে থেকে কার্যকর হবে, তা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে; ক্যাফেটেরিয়ায় ভর্তুকি প্রদান করে স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জকসুর রূপরেখা প্রণয়ন, নির্বাচন ২৭ নভেম্বর

আপডেট সময় :

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন। ইতোমধ্যেই নির্বাচনী রূপরেখা প্রণয়ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৮ অক্টোবর জকসু নির্বাচন কমিশন গঠন ও কার্যক্রম শুরু (প্রভিশনাল, বিধি এলে সে অনুযায়ী চূড়ান্ত হবে) হবে।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
রূপরেখায় দেখা যায়, আগামী ৮ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম শুরু হবে। ওইদিন ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক সংগঠন ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ধাপে ধাপে তফসিল ঘোষণা, ভোটার তালিকা প্রস্তুত, মনোনয়ন জমা ও বাছাই, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং প্রচার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
জকসু নির্বাচন কমিশন গঠন ও কার্যক্রম শুরু (প্রভিশনাল, বিধি এলে সে অনুযায়ী চূড়ান্ত হবে) ৮ অক্টোবর। এরপর ৯-১৮ অক্টোবর ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক সংগঠন ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে জকসু নির্বাচন নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন করে পরদিনই জকসু নির্বাচন তফসিল ও আচরণবিধি ঘোষণা করা হবে। এভাবেই পর্যায়ক্রমে খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটার তালিকা প্রকাশ, ভোটার তালিকা সংশোধন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইত্যাদি।
বিজ্ঞপ্তি হতে আরও জানা যায়, ৩৫তম দিনে মনোনয়ন জমাদান; ৩৭তম দিন: মনোনয়ন বাছাই; ৩৯তম দিন: আপত্তি নিষ্পত্তি; ৪০তম দিন: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ; ৪৬তম দিন: নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম এবং সর্বশেষ ২৭ নভেম্বর ৪৮তম দিনে ভোটগ্রহণ ও অফিসিয়াল ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচে তিন দফা দাবিতে এ কর্মসূচি শুরু করেন শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) নেতাকর্মীরা। টানা ৩০ ঘণ্টা ধরে অনশন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এদিকে আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনশনে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে দুইজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় তাদের স্যালাইন দেওয়া হয়। অনশনের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন শাখা ছাত্রদল, শিবির, আপ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মূলত তিন দফা দাবি নিয়ে তারা অনশন করেন। দাবিগুলো হলো— শিক্ষার্থীদের সম্পূরক বৃত্তি কবে থেকে কার্যকর হবে, তা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে; ক্যাফেটেরিয়ায় ভর্তুকি প্রদান করে স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।