ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ শিশুকে দেখতে সিএমএইচ গেলেন নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘের প্রেসিডেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ৩০৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত সাত বছরের শিশু বাসিত খান মুসা দীর্ঘ পাঁচ মাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে গতকাল রাতে দেশে ফিরেছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) তাকে দেখতে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ছুটে যান বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘের প্রেসিডেন্ট নাদিয়া সুলতানা। তিনি হাসপাতালে পৌঁছেই বাসিত খান মুসার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণের সাথে আলোচনা করে শিশুটির চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি পরম মমতায় স্নেহাশিস স্পর্শে শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। শিশুটির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সান্তনা ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। সেই সাথে দেশবাসীকে শিশুটির দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ জুলাই ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মেরাদিয়া হাট এলাকায় নিজ বাসার নিচে দাদির সাথে আইসক্রিম কিনতে যায় মুসা। এ সময় দাদি মায়া ইসলামসহ দুজনই গুলিবিদ্ধ হন। পরদিনই তার দাদি মারা যান। মুসার মাথার এক পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ মুসাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ২৬ আগস্ট তাকে  সিএমএইচ ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২২ অক্টোবর এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানকার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে শিশু মুসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ শিশুকে দেখতে সিএমএইচ গেলেন নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘের প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় :

জুলাই আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত সাত বছরের শিশু বাসিত খান মুসা দীর্ঘ পাঁচ মাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে গতকাল রাতে দেশে ফিরেছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) তাকে দেখতে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ছুটে যান বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘের প্রেসিডেন্ট নাদিয়া সুলতানা। তিনি হাসপাতালে পৌঁছেই বাসিত খান মুসার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণের সাথে আলোচনা করে শিশুটির চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি পরম মমতায় স্নেহাশিস স্পর্শে শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। শিশুটির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সান্তনা ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। সেই সাথে দেশবাসীকে শিশুটির দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ জুলাই ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মেরাদিয়া হাট এলাকায় নিজ বাসার নিচে দাদির সাথে আইসক্রিম কিনতে যায় মুসা। এ সময় দাদি মায়া ইসলামসহ দুজনই গুলিবিদ্ধ হন। পরদিনই তার দাদি মারা যান। মুসার মাথার এক পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ মুসাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ২৬ আগস্ট তাকে  সিএমএইচ ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২২ অক্টোবর এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানকার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে শিশু মুসা।