ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

ঝিলটুলীতে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারী অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলী এলাকায় অবস্থিত ‘টেরাকোটা চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট’-এ একটি ঝটিকা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে চরম স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরণ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ হাজার টাকা (৳২০,০০০) অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আতিকুর রহমান-এর নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে রেস্তোরাঁটির রান্নাঘর ও সংরক্ষণের স্থান পরিদর্শনকালে একাধিক গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
অননুমোদিত উপকরণ ব্যবহার করে খাদ্য প্রস্তুত করা, রান্নায় মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান ব্যবহার করা, সবচেয়ে মারাত্মক অনিয়ম হিসেবে, ফ্রিজের একই চেম্বারে প্রস্তুতকৃত (রান্না করা) খাবারের সঙ্গে কাঁচা মাংস অনিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা।
রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ তাদের অপরাধ স্বীকার করায়, বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাংলাদেশ হোটেল রেস্তোরাঁ অধ্যাদেশ আইনে সচেতনতার জন্য এই অর্থদণ্ড আরোপ ও তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করেন।
এছাড়াও, জনস্বার্থে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে যে, তারা যেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের সকল প্রকার অনিয়ম সংশোধন করে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করে।
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার জনাব মোঃ আজমল ফুয়াদ মহোদয় উপস্থিত ছিলেন। প্রসিকিউশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জনাব মোঃ বজলুর রশীদ খান। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সার্বিক সহায়তা দেয় জেলা আনসার ব্যাটেলিয়নের একটি দল।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জনস্বার্থে এবং খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঝিলটুলীতে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা

আপডেট সময় :

ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারী অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলী এলাকায় অবস্থিত ‘টেরাকোটা চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট’-এ একটি ঝটিকা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে চরম স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরণ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ হাজার টাকা (৳২০,০০০) অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আতিকুর রহমান-এর নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে রেস্তোরাঁটির রান্নাঘর ও সংরক্ষণের স্থান পরিদর্শনকালে একাধিক গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
অননুমোদিত উপকরণ ব্যবহার করে খাদ্য প্রস্তুত করা, রান্নায় মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান ব্যবহার করা, সবচেয়ে মারাত্মক অনিয়ম হিসেবে, ফ্রিজের একই চেম্বারে প্রস্তুতকৃত (রান্না করা) খাবারের সঙ্গে কাঁচা মাংস অনিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা।
রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ তাদের অপরাধ স্বীকার করায়, বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাংলাদেশ হোটেল রেস্তোরাঁ অধ্যাদেশ আইনে সচেতনতার জন্য এই অর্থদণ্ড আরোপ ও তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করেন।
এছাড়াও, জনস্বার্থে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে যে, তারা যেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের সকল প্রকার অনিয়ম সংশোধন করে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করে।
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার জনাব মোঃ আজমল ফুয়াদ মহোদয় উপস্থিত ছিলেন। প্রসিকিউশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জনাব মোঃ বজলুর রশীদ খান। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সার্বিক সহায়তা দেয় জেলা আনসার ব্যাটেলিয়নের একটি দল।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জনস্বার্থে এবং খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।