দাগনভুঞা থানা দালাল মুক্ত ঘোষণা ওসির নোমানের
- আপডেট সময় : ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান। তিনি দাগনভূঞা থানার অফিসের সামনে এবং গেইটের বাহিরে দালাল মুক্ত দাগনভূঞা থানা লিখে দিয়েছেন। একান্ত স্বাক্ষাৎকালে ওসি জানান, সেবা প্রার্থীরা থানায় গেলে দালাল চক্রের কারনে নানা রকম প্রতারনার শিকার হতে হয় এবং পুলিশের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটে। প্রায় সময় দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেক ভুক্ত ভোগীরা প্রতারিত হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাতে নাগরিকরা আগামীতে সেবা নিতে সরাসরি থানায় আসবেন দালাল ছাড়া। কারন দালালদের কারনে অনেক গোপনীয় তথ্য বাহির হয়ে যায় এবং বদনাম হয় পুলিশের, অথচ পুলিশ দিনরাত পরিশ্রম করে মানুষকে স্বস্তিও শান্তিতে ঘুমাতে সহায়তা করে। পক্ষান্তরে দালালের কারনে সকল পরিশ্রম পন্ড হয়ে যায় এবং নানা অপপ্রচারের শিকার হতে হয়। জনগনের জান মালের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশের। কেউ কোন প্রকার ইতস্তত না করে বা কোন মাধ্যম ছাড়া যেকোন সহযোগিতার জন্য অনায়াসে আসবেন থানায়। আইনি সহায়তার জন্য কোন নাগরিক দালাল ছাড়া আসবেন এবং আইন অনুযায়ী সেবা পাবেন জানিয়েছেন দাগনভুঞার থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান। তিনি আরো জানান, দাগনভূঞ্জয় সব ধরনের অবৈধ অস্ত্রধারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের জানান, এবার নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। যার ভোট সে দিবে যাকে ইচ্ছে তাকে দিবে। প্রার্থী যতই হোক না কেন আমরা তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে পাশাপাশি প্রার্থীদের নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি ও গুরুত্ব দিতে হবে। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন। জনগনের সহযোগিতা লাগবে। নির্বাচনে রাষ্ট্রের জন্য থ্রেট এমন ব্যক্তির নামে মামলা কিংবা কোন মামলা থাকলেও তিনি যদি অপরাধে সম্পৃক্ত থাকেন কিংবা থ্রেট মনে হয় তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। কোন ছাড় দেয়া হবে না। যারা অস্ত্রবাজ, সন্ত্রাসী, থানার অস্ত্র লুটকারী কিংবা হাতবদলে অস্ত্র ব্যবহারকারি, অবৈধ অস্ত্র মজুদদার বা ব্যবহারকারি তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ৪ আগষ্টে যারা হত্যা মামলার আসামী কিংবা ছুরির মামলার আসামীও যদি রাষ্ট্রের জন্য গ্রেট হয় এমন কেউ রেহাই পাবে না আইনের আওতায় আনা হবে। অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে ঊর্ধতন কতৃপক্ষের জিরো টলারেন্স এক্ষেত্রে শ্রম ঘাম দিয়ে যা কিছু করার দরকার আমরা তাই করবো। দাগনভূঞা উপজেলা জনগনের অকুণ্ঠ ভালোবাসা আর সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। এ সময় তিনি রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।














