ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

দোহারে হত্যা, নোয়াখালী থেকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালী ব্যুরোপ্রধান
  • আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার দোহার থানায় দায়ের করা প্রবাসী মলি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ইসমাইল হোসেন (৩৫) কে নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১।
গত মঙ্গলবার নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বরের হারিছ চৌধুরীর বাজার এলাকায় একটি হোটেলের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মলি আক্তার ও ইসমাইল হোসেন সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় পরিচিত হয়ে প্রায় সাত বছর আগে বিয়ে করেন। তাদের পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দাম্পত্য জীবনে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় এক বছর আগে মলি তাকে তালাক দিয়ে কুয়েতে চলে যান।
সম্প্রতি দেশে ফেরার পর ইসমাইল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মলি তা এড়িয়ে চলছিলেন। গত ১৪ মার্চ ভোরে একটি ফোনকল পেয়ে তিনি ঘর থেকে বের হলে কিছুক্ষণ পর বাড়ির পেছনে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন তার বাবা। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
র‌্যাব-১১ সিপিপি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি নিজের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। পরে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দোহারে হত্যা, নোয়াখালী থেকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় :

ঢাকার দোহার থানায় দায়ের করা প্রবাসী মলি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ইসমাইল হোসেন (৩৫) কে নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১।
গত মঙ্গলবার নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বরের হারিছ চৌধুরীর বাজার এলাকায় একটি হোটেলের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মলি আক্তার ও ইসমাইল হোসেন সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় পরিচিত হয়ে প্রায় সাত বছর আগে বিয়ে করেন। তাদের পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দাম্পত্য জীবনে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় এক বছর আগে মলি তাকে তালাক দিয়ে কুয়েতে চলে যান।
সম্প্রতি দেশে ফেরার পর ইসমাইল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মলি তা এড়িয়ে চলছিলেন। গত ১৪ মার্চ ভোরে একটি ফোনকল পেয়ে তিনি ঘর থেকে বের হলে কিছুক্ষণ পর বাড়ির পেছনে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন তার বাবা। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
র‌্যাব-১১ সিপিপি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি নিজের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। পরে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।