ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দোকান ও গুদাম ছাই

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২০৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি চায়ের দোকান ও দুটি গুদামের নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
আজ সোমবার দিকে পৌরসদরের সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন জামাল মিয়া মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ধারণা, মার্কেটের একটি গুদামে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
মার্কেটের মালিক জামাল মিয়া বলেন, “মার্কেটের গুদামগুলোতে পাইকারি ব্যবসায়ীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুত ছিল। আগুনে নারায়ন শাহ, স্বপন চন্দ্র সাহা ও আক্তার হোসেনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ীর দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।”
নবীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার দেবব্রত সরকার বলেন, “স্থানীয়দের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে পানি টেনে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুনে তিন-চারটি গুদাম সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে আশপাশের দোকান ও সোনালী ব্যাংক শাখা অক্ষত রয়েছে—এটা আল্লাহর অশেষ রহমত।”
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে বড় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দোকান ও গুদাম ছাই

আপডেট সময় :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি চায়ের দোকান ও দুটি গুদামের নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
আজ সোমবার দিকে পৌরসদরের সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন জামাল মিয়া মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ধারণা, মার্কেটের একটি গুদামে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
মার্কেটের মালিক জামাল মিয়া বলেন, “মার্কেটের গুদামগুলোতে পাইকারি ব্যবসায়ীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুত ছিল। আগুনে নারায়ন শাহ, স্বপন চন্দ্র সাহা ও আক্তার হোসেনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ীর দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।”
নবীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার দেবব্রত সরকার বলেন, “স্থানীয়দের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে পানি টেনে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুনে তিন-চারটি গুদাম সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে আশপাশের দোকান ও সোনালী ব্যাংক শাখা অক্ষত রয়েছে—এটা আল্লাহর অশেষ রহমত।”
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে বড় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।