ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

নাটোরে বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক নারী নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরন সভা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোরে বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক নারী নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করণ সভা অনুষ্ঠিত।
গতকাল রোববার সকাল দশটার সময় নীলাচল সভাকক্ষ, আলো, নাটোর বাস্তবায়নে খান ফাউন্ডেশন, বাস্তবায়ন সহযোগিতায় আলো ও সচেতন কর্ম সহায়ক সংস্থা, আলো, নির্বাহী পরিচালক শামীমা লাইজু নীলা এর সার্বিক পরিচালনায় নাটোর জেলার তিন উপজেলার বিভিন্ন সংগঠনের নারী পুরুষ প্রতিনিধিদের নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুুষ্ঠানিক নারী নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করন সভা করা হয়েছে। এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মোঃ আব্দুর রহমান, খান ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কর্মকর্তা শাহিনা লাইজু, মহিলা বিষয়ক ট্রেড প্রশিক্ষক মোঃ ফরিদ মিয়া, সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থা জেলা কর্মকর্তা মোঃ বাবুল আক্তার, উইমেন চেম্বার কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম,বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নাটোর জেলা শাখা প্রোগ্রাম এক্সকিউটিভ ছন্দা সাহা চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা শাম্মী আকতার, খান ফাউন্ডেশন জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সৈয়দা তাহেরা খানম, সাংবাদিক আফরোজা ইয়াসমিন, অমল ঘোষ, দুর্লভপুর কর্মজীবন সংস্থা সভাপতি রহিমা খাতুুন ও যুব সদস্য মোছাঃ রেখা খাতুন সহ আরো অনেকেই বক্তব্য রাখেন। বক্তাগণেরা বলেন খান ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় আলো বাস্তবায়িত সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট এবং কোপারেশন এসডিসি এবং গ্লোবাল এ‍্যাফেয়ার্স ক্যানাডার আর্থিক এবং জিএফ এ এর কারিগরি সহযোগিতায় ভয়েসেস ফর চেঞ্জ এমপাওয়ারিং সিটিজেনস ফর এনক্লোসিভ গভর্নেন্স, সোস‍্যাল জাস্টিস এবং জেন্ডার ইকুয়ালিটি প্রকল্পটি স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কর্ম এলাকায় দুর্নীতি প্রতিরোধে সচেতনতা, রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাস এবং নাগরিক অধিকারের মত চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্ব সূচকে প্রতিফলন করা। যদিও দক্ষিণ এশিয়ায় লিঙ্গ সমতা শক্তিশালী এবং নারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্য হাস্য করা। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নারীদের। জলবায়ু পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে বিশেষ করে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের লক্ষ্য এই সমস্যাগুলি মোকাবেলা করা। ভয়েসেস ফর চেইঞ্জ প্রকল্পটি খান ফাউন্ডেশনর মাধ্যমে ৫টি স্থানীয় সহযোগী সংস্থার সহযোগিতায় ২০২৫ সাল থেকে জুন ২০২৭ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের ৫টি জেলার ২০টি উপজেলার ১৭৪টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নাটোর জেলার নাটোর,নলডাঙ্গা এবং সিংড়া উপজেলায় ২৪টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি ডিমান্ড এবং সাপ্লাই উভয় শ্রেণীর স্টক হোল্ডারদের লক্ষ্য করে প্রণীত হয়েছে।
জেলা পর্যায়ে যে নারী উন্নয়ন নেটওয়ার্ক কার্যকর করার মাধ্যমে উপজেলা ও ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সাথে সম্পৃক্ত করা এবং নারী উন্নয়ন নেটওয়ার্ক অধিকতর শক্তিশালী করা। পর্যায়ক্রমে একটি অভিন্ন ধারণাগত ভিত্তি ও কর্মপন্থা নিরূপণ করার চেষ্টা করা। জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন নেটওয়ার্ক এবং সরকারী বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠান / প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও নেটওয়ার্ক স্থাপন করা, যার ফলে স্থানীয় যে কোন সমস্যায় তারা নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় সমাধান করতে পারে। নেটওয়ার্কের সদস্যগণ সমাজ উন্নয়নমূলক যে সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে যেমন ;স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সেবাখাত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করা, পর্যবেক্ষণের ফলে যে সকল সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে তা বিভিন্ন ফোরামে উপস্থাপন করা। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ইস্যুতে স্থানীয় পর্যায়ে যৌথ উদ্যোগ /কর্মসূচি গ্রহণ করার ক্ষেত্র সৃষ্টি করা। নারী -শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও নারীদের কল্যাণ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের জন্য পরিবার,সমাজ এবং রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে নারী- পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন।কিন্তু আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থায় নারী- পুরুষের অনেক বৈষম্য রয়েছে। এই বৈষম্যের জন্য গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা ব্যাহত হচ্ছে। বৈষমিক দূরীকরণের জন্য আমাদের নারী সমাজের নেতৃত্বের বিকাশ এবং দক্ষতা বৃদ্ধি যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন নারী পুরুষের সচেতনতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নাটোরে বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক নারী নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরন সভা

আপডেট সময় :

নাটোরে বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক নারী নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করণ সভা অনুষ্ঠিত।
গতকাল রোববার সকাল দশটার সময় নীলাচল সভাকক্ষ, আলো, নাটোর বাস্তবায়নে খান ফাউন্ডেশন, বাস্তবায়ন সহযোগিতায় আলো ও সচেতন কর্ম সহায়ক সংস্থা, আলো, নির্বাহী পরিচালক শামীমা লাইজু নীলা এর সার্বিক পরিচালনায় নাটোর জেলার তিন উপজেলার বিভিন্ন সংগঠনের নারী পুরুষ প্রতিনিধিদের নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুুষ্ঠানিক নারী নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করন সভা করা হয়েছে। এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মোঃ আব্দুর রহমান, খান ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কর্মকর্তা শাহিনা লাইজু, মহিলা বিষয়ক ট্রেড প্রশিক্ষক মোঃ ফরিদ মিয়া, সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থা জেলা কর্মকর্তা মোঃ বাবুল আক্তার, উইমেন চেম্বার কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম,বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নাটোর জেলা শাখা প্রোগ্রাম এক্সকিউটিভ ছন্দা সাহা চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা শাম্মী আকতার, খান ফাউন্ডেশন জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সৈয়দা তাহেরা খানম, সাংবাদিক আফরোজা ইয়াসমিন, অমল ঘোষ, দুর্লভপুর কর্মজীবন সংস্থা সভাপতি রহিমা খাতুুন ও যুব সদস্য মোছাঃ রেখা খাতুন সহ আরো অনেকেই বক্তব্য রাখেন। বক্তাগণেরা বলেন খান ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় আলো বাস্তবায়িত সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট এবং কোপারেশন এসডিসি এবং গ্লোবাল এ‍্যাফেয়ার্স ক্যানাডার আর্থিক এবং জিএফ এ এর কারিগরি সহযোগিতায় ভয়েসেস ফর চেঞ্জ এমপাওয়ারিং সিটিজেনস ফর এনক্লোসিভ গভর্নেন্স, সোস‍্যাল জাস্টিস এবং জেন্ডার ইকুয়ালিটি প্রকল্পটি স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কর্ম এলাকায় দুর্নীতি প্রতিরোধে সচেতনতা, রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাস এবং নাগরিক অধিকারের মত চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্ব সূচকে প্রতিফলন করা। যদিও দক্ষিণ এশিয়ায় লিঙ্গ সমতা শক্তিশালী এবং নারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্য হাস্য করা। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নারীদের। জলবায়ু পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে বিশেষ করে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের লক্ষ্য এই সমস্যাগুলি মোকাবেলা করা। ভয়েসেস ফর চেইঞ্জ প্রকল্পটি খান ফাউন্ডেশনর মাধ্যমে ৫টি স্থানীয় সহযোগী সংস্থার সহযোগিতায় ২০২৫ সাল থেকে জুন ২০২৭ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের ৫টি জেলার ২০টি উপজেলার ১৭৪টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নাটোর জেলার নাটোর,নলডাঙ্গা এবং সিংড়া উপজেলায় ২৪টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি ডিমান্ড এবং সাপ্লাই উভয় শ্রেণীর স্টক হোল্ডারদের লক্ষ্য করে প্রণীত হয়েছে।
জেলা পর্যায়ে যে নারী উন্নয়ন নেটওয়ার্ক কার্যকর করার মাধ্যমে উপজেলা ও ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সাথে সম্পৃক্ত করা এবং নারী উন্নয়ন নেটওয়ার্ক অধিকতর শক্তিশালী করা। পর্যায়ক্রমে একটি অভিন্ন ধারণাগত ভিত্তি ও কর্মপন্থা নিরূপণ করার চেষ্টা করা। জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন নেটওয়ার্ক এবং সরকারী বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠান / প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও নেটওয়ার্ক স্থাপন করা, যার ফলে স্থানীয় যে কোন সমস্যায় তারা নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় সমাধান করতে পারে। নেটওয়ার্কের সদস্যগণ সমাজ উন্নয়নমূলক যে সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে যেমন ;স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সেবাখাত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করা, পর্যবেক্ষণের ফলে যে সকল সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে তা বিভিন্ন ফোরামে উপস্থাপন করা। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ইস্যুতে স্থানীয় পর্যায়ে যৌথ উদ্যোগ /কর্মসূচি গ্রহণ করার ক্ষেত্র সৃষ্টি করা। নারী -শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও নারীদের কল্যাণ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের জন্য পরিবার,সমাজ এবং রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে নারী- পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন।কিন্তু আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থায় নারী- পুরুষের অনেক বৈষম্য রয়েছে। এই বৈষম্যের জন্য গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা ব্যাহত হচ্ছে। বৈষমিক দূরীকরণের জন্য আমাদের নারী সমাজের নেতৃত্বের বিকাশ এবং দক্ষতা বৃদ্ধি যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন নারী পুরুষের সচেতনতা।