ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাগমারায় এলজিইডির কাজে নিম্নমানের অভিযোগ, তথ্য দিতে অনীহা প্রকৌশলীর Logo কক্সবাজারে মায়ের সঙ্গে কারাগারে ছয় বছরের শিশু Logo নেছারাবাদে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান Logo গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসহ আটক ১ Logo ঘাটাইলে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ Logo সুন্দরবন থেকে দেড় বছরে ৬১ দস্যুকে অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড Logo মনোনয়ন কিনতে গিয়ে লাঞ্ছিত প্রার্থীরা Logo পলিক্রস পেঁয়াজে কৃষকের নতুন স্বপ্ন, বদলাচ্ছে আয়ের হিসাব Logo ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo লাইসেন্স নেই, অধিক মূল্যে জ্বালানি বিক্রি করায় জরিমানা

নোয়াখালীতে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

নোয়াখালী ব্যুরোপ্রধান
  • আপডেট সময় : ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় মোহাম্মদ জাফর (১৮) নামে এক কিশোর দিনমজুরকে নির্যাতন করে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার প্রকল্প বাজার এলাকার প্রধান সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহত জাফর হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকার মোহাম্মদ জাকের হোসেনের ছেলে।
নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় ১০-১২ দিন আগে বিএনপি নেতা সোহেল মাহমুদের বাড়িতে কাজ করতেন জাফর। পাঁচ দিন আগে তিনি বাড়ির মালিককে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যান। এ সময় ঘর থেকে আলমারির চাবি, মোবাইল চার্জার ও নগদ ১,১০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় আলী বাজার এলাকা থেকে সোহেল মাহমুদসহ কয়েকজন জাফরকে ধরে মোটরসাইকেলে করে প্রকল্প বাজারে নিয়ে আসে। সেখানে জাফরের বাবাকেও ডাকা হয়। একপর্যায়ে তার বাবা বাড়ি ফিরে গেলে, জাফরকে আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। পরে মরদেহটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে চানন্দি ইউনিয়ন পশ্চিম শাখা বিএনপির সভাপতি সোহেল মাহমুদ বলেন,
“স্থানীয় এনসিপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে আমার বিরোধ রয়েছে। তারা রাজনৈতিকভাবে আমাকে ঘায়েল করার জন্য এই ঘটনার সাথে জড়ানোর চেষ্টা করছে। জাফরকে তার বাবার উপস্থিতিতে ডাকা হয়েছিল, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর কী হয়েছে, আমি জানি না। সকালে তার মৃত্যুর খবর শুনেছি।”
হাতিয়ার মোর্শেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লেয়াকত আলী বলেন,
“প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাÐ মনে হচ্ছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও ফাঁসের দাগটি সন্দেহজনক। সাধারণত আত্মহত্যায় রশির দাগ চন্দ্রাকৃতির হয়, কিন্তু এখানে দাগটি গোলাকার। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।” তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নোয়াখালীতে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় মোহাম্মদ জাফর (১৮) নামে এক কিশোর দিনমজুরকে নির্যাতন করে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার প্রকল্প বাজার এলাকার প্রধান সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহত জাফর হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকার মোহাম্মদ জাকের হোসেনের ছেলে।
নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় ১০-১২ দিন আগে বিএনপি নেতা সোহেল মাহমুদের বাড়িতে কাজ করতেন জাফর। পাঁচ দিন আগে তিনি বাড়ির মালিককে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যান। এ সময় ঘর থেকে আলমারির চাবি, মোবাইল চার্জার ও নগদ ১,১০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় আলী বাজার এলাকা থেকে সোহেল মাহমুদসহ কয়েকজন জাফরকে ধরে মোটরসাইকেলে করে প্রকল্প বাজারে নিয়ে আসে। সেখানে জাফরের বাবাকেও ডাকা হয়। একপর্যায়ে তার বাবা বাড়ি ফিরে গেলে, জাফরকে আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। পরে মরদেহটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে চানন্দি ইউনিয়ন পশ্চিম শাখা বিএনপির সভাপতি সোহেল মাহমুদ বলেন,
“স্থানীয় এনসিপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে আমার বিরোধ রয়েছে। তারা রাজনৈতিকভাবে আমাকে ঘায়েল করার জন্য এই ঘটনার সাথে জড়ানোর চেষ্টা করছে। জাফরকে তার বাবার উপস্থিতিতে ডাকা হয়েছিল, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর কী হয়েছে, আমি জানি না। সকালে তার মৃত্যুর খবর শুনেছি।”
হাতিয়ার মোর্শেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লেয়াকত আলী বলেন,
“প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাÐ মনে হচ্ছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও ফাঁসের দাগটি সন্দেহজনক। সাধারণত আত্মহত্যায় রশির দাগ চন্দ্রাকৃতির হয়, কিন্তু এখানে দাগটি গোলাকার। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।” তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।