ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

পার্বতীপুর বরেন্দ্র অফিসে অপারেটরকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৯ বার পড়া হয়েছে

oppo_1040

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের পার্বতীপুর বরেন্দ্র কতৃপক্ষের কাছে লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়ন এর দঃবিসনুপুর বরেন্দ্র গভীর নলকূপের অপারেটর মো সায়মাল হক অভিযোগ করে বলেন,আমাদের গভীর নলকূপটি চলতি মৌসুমে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পরপর ৪ বার নষ্ট হয়। আমি পার্বতীপুর উপজেলা বরেন্দ্র অফিসের সঙ্গে মোবাইল ফোনে অভিযোগ করি তারপর উপজেলা থেকে মেকানিক জাহাঙ্গীর আলম সরজমিনে এসে মটর তুলে অফিসে নিয়ে যায় এবং মেরামত বাবদ আমার কাছ থেকে প্রথমে ১২ হাজার টাকা চায় পরে ছয় হাজার টাকা দিয়ে মেরামত করে নিয়ে আসি। ৭/৮ দিন পর আবার পুনরায় মটরটি নষ্ট হয়ে যায় এরপর আমি উপসহকারী রাজু আহমেদ স্যার কে অভিহিত করি এবং বলি স্যার বারবার মটর পুড়ে যাচ্ছে বোডের কোন সমস্যা থাকতে পারে। তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, আপনার মটর এত নষ্ট হয় কেন এর জন্য আমি কি করবো বর্তমান অফিসের কোন মটর নেই এবং কোন বরাদ্দ নেই যা বরাদ্দ ছিল তা শেষ হয়ে গেছে। যাও অফিস থেকে বের হয়ে যাও এই ভাবে তাকে অফিস থেকে বের করে দেয়।
তখন অনেক খোঁজাখুঁজির পর নবাবগঞ্জ থেকে একটি মটর এনে পানি সরবরাহ করতে থাকি। ১০/১১দিন পর আবার সেটাও পুড়ে যার এরপর নিজের ৬০ হাজার টাকা দিয়ে নতুন মটর কিনে নিয়ে আসি লাগাই কিন্তু সেই মটর একমাস না চলতেই গত বুধবার এবারেও পুড়ে গেছে।
নতুন করে অফিসে যোগাযোগ করলে সহকারি ম্যাক্যানিক জাহাঙ্গীর আলম এসে মটর ঠিক করে ডাইরেক্ট লাইন করে মটর চালু করে।
এবিষয়ে পার্বতীপুর বরেন্দ্র অফিস উপসহকারী রাজু আহাম্মেদ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়টি অস্বীকার করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পার্বতীপুর বরেন্দ্র অফিসে অপারেটরকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ

আপডেট সময় :

দিনাজপুরের পার্বতীপুর বরেন্দ্র কতৃপক্ষের কাছে লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়ন এর দঃবিসনুপুর বরেন্দ্র গভীর নলকূপের অপারেটর মো সায়মাল হক অভিযোগ করে বলেন,আমাদের গভীর নলকূপটি চলতি মৌসুমে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পরপর ৪ বার নষ্ট হয়। আমি পার্বতীপুর উপজেলা বরেন্দ্র অফিসের সঙ্গে মোবাইল ফোনে অভিযোগ করি তারপর উপজেলা থেকে মেকানিক জাহাঙ্গীর আলম সরজমিনে এসে মটর তুলে অফিসে নিয়ে যায় এবং মেরামত বাবদ আমার কাছ থেকে প্রথমে ১২ হাজার টাকা চায় পরে ছয় হাজার টাকা দিয়ে মেরামত করে নিয়ে আসি। ৭/৮ দিন পর আবার পুনরায় মটরটি নষ্ট হয়ে যায় এরপর আমি উপসহকারী রাজু আহমেদ স্যার কে অভিহিত করি এবং বলি স্যার বারবার মটর পুড়ে যাচ্ছে বোডের কোন সমস্যা থাকতে পারে। তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, আপনার মটর এত নষ্ট হয় কেন এর জন্য আমি কি করবো বর্তমান অফিসের কোন মটর নেই এবং কোন বরাদ্দ নেই যা বরাদ্দ ছিল তা শেষ হয়ে গেছে। যাও অফিস থেকে বের হয়ে যাও এই ভাবে তাকে অফিস থেকে বের করে দেয়।
তখন অনেক খোঁজাখুঁজির পর নবাবগঞ্জ থেকে একটি মটর এনে পানি সরবরাহ করতে থাকি। ১০/১১দিন পর আবার সেটাও পুড়ে যার এরপর নিজের ৬০ হাজার টাকা দিয়ে নতুন মটর কিনে নিয়ে আসি লাগাই কিন্তু সেই মটর একমাস না চলতেই গত বুধবার এবারেও পুড়ে গেছে।
নতুন করে অফিসে যোগাযোগ করলে সহকারি ম্যাক্যানিক জাহাঙ্গীর আলম এসে মটর ঠিক করে ডাইরেক্ট লাইন করে মটর চালু করে।
এবিষয়ে পার্বতীপুর বরেন্দ্র অফিস উপসহকারী রাজু আহাম্মেদ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়টি অস্বীকার করেন।