ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

মনোহরগঞ্জে পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৫১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদর দিশাবন্দ গ্রামের পুকুর থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুর ২টার দিকে দিশাবন্দ গ্রামের মসজিদ পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে দিশাবন্দ গ্রামের সারওয়ার মেম্বারের ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এর লাশ উদ্ধার করে।
জানা যায় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে দিশাবন্দ গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে বাচ্চুর ছেলে সাকিবের সাথে জামালের কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সাকিব হোসেন বেপারী বাড়ির মহিনের ছেলে সবুজ, তাজুল ইসলামের ছেলে বাবলু, সামছুল হকের ছেলে অপু, আব্দুস সাত্তারের ছেলে সিজন, আবদুল খালেকের ছেলে হারুনকে ডেকে এনে জামালকে মারধর করে। খবর পেয়ে জামালের ছেলে আলাউদ্দিন বাবাকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও মারধর করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় জামাল হোসেনে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হলেও তার ছেলে আলাউদ্দিনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। এদিকে জামাল হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাতে বাড়িতে নিয়ে আসলেও তিনি ছেলেকে দেখতে আবারো হাসপাতালের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। আজ তার লাশ পুকুরে পাওয়া যায়, জামালের মাথায় ব্যান্ডেজসহ শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। জামালের ভাই অহিদুর রহমান বলেন আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, আমি তদন্ত করে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
এব্যাপারে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে, তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মনোহরগঞ্জে পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় :

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদর দিশাবন্দ গ্রামের পুকুর থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুর ২টার দিকে দিশাবন্দ গ্রামের মসজিদ পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে দিশাবন্দ গ্রামের সারওয়ার মেম্বারের ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এর লাশ উদ্ধার করে।
জানা যায় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে দিশাবন্দ গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে বাচ্চুর ছেলে সাকিবের সাথে জামালের কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সাকিব হোসেন বেপারী বাড়ির মহিনের ছেলে সবুজ, তাজুল ইসলামের ছেলে বাবলু, সামছুল হকের ছেলে অপু, আব্দুস সাত্তারের ছেলে সিজন, আবদুল খালেকের ছেলে হারুনকে ডেকে এনে জামালকে মারধর করে। খবর পেয়ে জামালের ছেলে আলাউদ্দিন বাবাকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও মারধর করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় জামাল হোসেনে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হলেও তার ছেলে আলাউদ্দিনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। এদিকে জামাল হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাতে বাড়িতে নিয়ে আসলেও তিনি ছেলেকে দেখতে আবারো হাসপাতালের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। আজ তার লাশ পুকুরে পাওয়া যায়, জামালের মাথায় ব্যান্ডেজসহ শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। জামালের ভাই অহিদুর রহমান বলেন আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, আমি তদন্ত করে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
এব্যাপারে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে, তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।